সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে জাল দলিল সৃজনের গুজবে তুলকালাম

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১:১৩ অপরাহ্ণ ,৮ এপ্রিল, ২০১৪ | আপডেট: ১:১৩ অপরাহ্ণ ,৮ এপ্রিল, ২০১৪
পিকচার

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজবাড়ী সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে গতকাল ৭ এপ্রিল দুপুর থেকে বিকেল পর্যনত্ম একটি হেবা দলিল করা নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটে। এ সময়কালে জাল দলিল সম্পাদনের কথা চাউর হলে সেখানে উৎসুক মানুষের ভীড় জমে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলা সদরের শ্রীপুর গ্রামের সেকেন সরদারের ৩ ছেলে (হুমায়ুন কবীর, সাইদুর রহমান ও সোহেল রানা)। ২০০৮ সালে সোহেল রানা বিদেশে থাকা অবস্থায় জনৈক মিজানুর রহমানের কাছ থেকে হুমায়ন কবীর ১২ শতাংশ এবং সাইদুর রহমান ৬শতাংশ জমি(শ্রীপুর মৌজায়) কেনে। পরবর্তীতে সোহেল রানা বিদেশ থেকে ফেরার পর ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর ১১০১৯নং হেবা দলিলমূলে তার(সোহেল রানা) নামে হুমায়ুন কবীর তার ১২ শতাংশের মধ্যে ৩ শতাংশ এবং সাইদুর রহমান তার পুরো ৬ শতাংশ জমিই রেজিস্ট্রি করে দেয়। আর তখন থেকেই শুরু হয় গন্ডগোল। কারণ সাইদুর রহমান যে ৬শতাংশ জমি সোহেল রানাকে হেবা করে দেয় তা ছিল সাইদুরের শ্বশুর বাড়ীর টাকায় কেনা। শ্বশুর বাড়ীর লোকজন ‘তাদের টাকায় কেনা জমি কেন ছোট ভাইকে দিয়ে দিল’ সে ব্যাখা চায় সাইদুরের কাছে। সাইদুর কোন সদুত্তর দিতে না পেরে নিজে বাঁচার জন্য প্রকাশ করে ‘সে কোন জমি সোহেলের নামে হেবা দলিল করে দেয়নি-জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত হেবানামা সৃজন করা হয়েছে’। তখন সাইদুরের শ্বশুর বাড়ীর লোকজন সাইদুরসহ তার অপর ২ভাই হুমায়ুন কবীর ও সোহেল রানার উপর ভীষণভাবে চাপ প্রয়োগ করা শুরু করে। তাদের অব্যাহত চাপের মুখে ৩ভাইয়ের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং সমঝোতা অনুযায়ী গতকাল ৭ এপ্রিল দুপুরে সোহেল রানা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এসে উলেস্নখিত হেবামূলে পাওয়া ৯শতাংশ জমির মধ্যে সাইদুরের অংশের ৬শতাংশ জমি ফের তার নামে হেবা দলিল করে দেয়। তবে সাইদুরের স্ত্রীসহ শ্বশুর বাড়ীর লোকজন হেবা দলিলে সোহেল রানার স্বাক্ষর করার পূর্বে চিৎকার-চেঁচামেচি ও মারমুখি আচরনে ফলে হট্টগোল হেেত থাকায় লোকমুখে জাল দলিলের গুজব ছড়িয়ে পড়লে গণমাধ্যম কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক উৎসুক মানুষ সেখানে ভীড় জমায়। অবশেষে অনেক তুলকালাম কান্ডের পর পরিস্থিতি শানত্ম হয়। তবে এ ব্যাপারে কোন পড়্গ কোন অভিযোগ করেনি।


এই নিউজটি 1518 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments