রাজবাড়ী শহরের রেস্টুরেন্ট গুলোতে খাবারের মূল্য অস্বাভাবিক : প্রশাসনের তদারকী নেই

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৫:২৭ অপরাহ্ণ ,১৩ নভেম্বর, ২০১৪ | আপডেট: ৫:৩৮ অপরাহ্ণ ,১৩ নভেম্বর, ২০১৪
পিকচার

আশিকুর রহমান : রাজবাড়ী জেলা শহরের খাবার হোটেল গুলোতে খাবারের মূল্য নির্ধারনে প্রশাসনের কোন তদারকী না থাকায় একেক হোটেলে একেক রকমের মূল্য হাকিয়ে দ্বেদারছে ব্যবসা করে যাচ্ছে হোটেল মালিকরা।ফলে লোকসানের কবলে পড়ছে সাধারন ক্রেতারা।শহরের বিভিন্ন খাবার হোটেলে অনুসন্ধান করে এ চিত্রটি দেখা গেছে। একই অবস্থা মিষ্টির দোকানগুলোতেও।

এর মধ্যে শহরের রেলগেটস্হ কাজী হোটেল এন্ড বিরানী হাউজে দেখা গেছে খাবারের মূল্য অস্বাভাবিক বেশী।পার্শ্ববর্তী হোটেল সূর্য্যবান ও হোটেল সালমায় মুরগীর মাংস প্রতি পিচ ৭০ টাকা হলেও এক্ই মানের মুরগীর মাংস কাজী হোটেল এন্ড বিরানী হাউজে ১০০টাকা। এছাড়াও সবজি,করল্লা ভাজি ও কাঁচ কলা ভর্তার ক্ষেত্রেও মূল্য নেয়া হচ্ছে অনেক বেশী। অন্য হোটেলে যে সবজি, করল্লা ভাজি ও কাঁচ কলা ভর্তা ১০টাকা। সেখানে কাজী হোটেলে পরিমানে অনেক কম দিয়েও ২০টাকায় বিক্রি করছে। ফলে ক্রেতারা অসন্তোষ প্রকাশ করাসহ লোকসানের কবলে পড়ছে।

একই অবস্থা বাজারের মিষ্টি দোকানগুলোতেও। পাল সুইটস এ যে রসগোল্লা ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে সেই একই মানের রসগোল্লা নির্মল মিষ্টান্ন ভান্ডার ও শংকর মিষ্টান্ন ভান্ডারে বিক্রি করা হচ্ছে ১৭০ টাকা কেজি দরে । শুধু রসগোল্লাতেই নয় চমচম, কালোজাম, রসমালাইসহ সকল প্রকার মিষ্টান্ন খাদ্য সামগ্রীই একইভাবে বেশী দামে বিক্রি করা হচ্ছে।এছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং বিশেষ বিশেষ দিবসে মিষ্টির দাম চড়া মূল্য হাকিয়ে বিক্রি করা হয়।বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় ক্রেতারা বাধ্য হয়েই চড়া মূল্যে এসব মিষ্টি সামগ্রী কিনতে বাধ্য হয়।

মাঝে মধ্যে স্থানীয় প্রশাসন মিষ্টির দোকানগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করলেও সঠিক মনিটরিং না থাকায় দোকান মালিকরা ইচ্ছামতো দাম হাকিয়ে ব্যবসা করে আসছে।
ভূক্তভোগীরা মিষ্টির দোকানের পাশাপাশি খাবার হোটেলগুলোতেও মূল্য নির্ধারন এবং সঠিক মনিটরিং এর জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

আপডেট : বৃহস্পতিবার নভেম্বর ১৩,২০১৪/ ০৫:১৫ পিএম/ জেনিফার


এই নিউজটি 1086 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments