রাজবাড়ীতে বিনামূল্যে ড্রাগন ফলের চারা বিতরন : ড্রাগন ফল চাষকে টাকার মেশিনের সাথে তুলনা করলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লার রহমান

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৩:২৮ অপরাহ্ণ ,১৭ নভেম্বর, ২০১৪ | আপডেট: ৩:২৮ অপরাহ্ণ ,১৭ নভেম্বর, ২০১৪
পিকচার

শিহাবুর রহমান : রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন, হট্টিকালচার সেন্টার ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আজ সোমবার সকালে আজাদী ময়দানে বিনামূল্যে ৫৩৬জন উপকারভোগীদের মধ্যে ড্রাগন ফলের চারা বিতরন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে চারা বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লার রহমান।রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা খামার বাড়ী কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সমন্বিত মানসম্পন্ন উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্প-২য় পর্যায়ের প্রকল্প পরিচালক এসএম কামরুজ্জামান ও রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শ্রী নীবাশ দেবনাথ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী হট্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক নিরুত্তম কুমার সরকার।

উপ-সহকারী উদ্যান কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ড্রাগন চাষী দিপক কুমার কুন্ডু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লার রহমান রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম খানকে ড্রাগন প্রশাসক বলে আখ্যায়িত করে বলেন, রাজবাড়ীতে তিনি একটি যুগপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছেন। আজ আপনারা ড্রাগন ফলের চারা নয়, টাকার মেশিন নিয়ে যাচ্ছেন। এটিকে ফেলে দিবেন না। যত্ন করে রাখবেন। মনে রাখবেন এটি একটি স্বর্ণ প্রসারিনী হাঁস।

তিনি বলেন, একটা ড্রাগন গাছে বছরে ৬০থেকে ৭০টি ফল ধরবে।আর একটি খুটিতে ৪টি গাছ লাগানো যায়। একটি খুটিতে প্রতিটি গাছে যদি ৫০ কেজি করেও ফল ধরে তাহলে এর পরিমান ২০০ কেজি। ঢাকায় এক কেজি ফলের দাম ৩০০/৪০০ টাকা। আপনারা যদি ড্রাগন ফল চাষ করেন তাহলে আপনারা লাভবান হবেন। আপনারা লাভবান হলে দেশ অটোমেটিক লাভবান হবে।SAM_0355

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসএম কামরুজ্জামান বলেন, ড্রাগন ফল সবচেয়ে বেশী চাষ হয় ভিয়েতনামে। পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডেও ভাল হচ্ছে।বতর্মানে শ্রীলংকাতেও ভাল চাষ হচ্ছে।সারা পৃথিবীতেই এ ফলের দারুণ চাহিদা রয়েছে।আমাদের দেশেও ড্রাগনের দারুন সম্ভাবনাময় রয়েছে। এটি চাষ করলে আমাদের নিজেদের চাহিদাও পুরন হবে। পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানী করতে পারবো।

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শ্রী নীবাশ দেবনাথ বলেন, চাল ও শাক সবজিতে আমরা সয়ং সম্পন্ন। ঘাটতি ছিল ফলে। আশা করি ড্রাগন ফলের মাধ্যমে রাজবাড়ীতে ফলের ঘাটতি পুরন হবে।

সভাপতির বক্তব্যে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাজবাড়ীতে ড্রাগন ফল চাষের সম্প্রসারণ কৃষি বিভাগই করেছে। আমি শুধু তাদেরকে সহযোগিতা করেছি। এজন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। আমি ড্রাগন চাষে সবাইকে উৎসাহিত করার জন্য যাদের বাগানে সবচেয়ে বেশী ড্রাগন চাষ হবে তাদের পুরস্কার দেয়ায় ঘোষনা করেছি।এই ড্রাগন চাষের মাধ্যমেই আমরা একটি সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যাশা করছি।

 

আপডেট : সোমবার নভেম্বর ১৭,২০১৪/ ‌০৩:০১ পিএম/ আশিক

 


এই নিউজটি 1220 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments