,

গোয়ালন্দে চলন্ত মাইক্রোবাসে ডাকাতি : দুই যাত্রীকে কুপিয়ে জখম

News

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি : দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ ক্যানেল ঘাট এলাকায় গতকাল রবিবার রাতে চলন্ত মাইক্রোবাস থামিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সে সময়ে মাইক্রোবাসের গ্লাস ভাঙচুরসহ নান্টু দাস ও শামীম আহমেদ নামের দুই যাত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়েছে ডাকাতদল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোয়ালন্দঘাট থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ ক্যানেলঘাট এলাকা একটি ডাকাতিপ্রবণ এলাকা। প্রায়ই সন্ধ্যার পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সেখানে সড়ক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গতকাল রবিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে বরিশাল থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাস গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ক্যানেলঘাট এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় সেখানে ওত পেতে থাকা ১০-১২ জনের একদল ডাকাত হঠাৎ টর্চ লাইট জ্বালিয়ে তারা গাড়ি থামাতে সংকেত দেয়। এতে পুলিশ ভেবে মাইক্রোবাসের চালক সেখানে দ্রুত তার গাড়িটি থামান। সঙ্গে সঙ্গে দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে ডাকাতদল মাইক্রোবাসটিকে ঘিরে ফেলে গাড়ির সামনে ও পেছনের গ্লাস ভাঙচুর করে। পরে গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নিয়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে যাত্রীদের এলাপাতাড়িভাবে কুপিয়ে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে এলাকায় টহলরত পুলিশ দ্রুত এগিয়ে এলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। এতে মাইক্রোবাসের দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাঁরা হলেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলা এলাকার নান্টু দাস (৩০) ও ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাউদপুর গ্রামের মো. হারুন অর রশিদ (৩১)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গোয়ালন্দঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এলাকার মহাসড়কে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ডাকাতদলের সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ মাঠে নেমেছে।

 

 আপডেট : সোমবার ডিসেম্বর ১৫,২০১৪/ ১০:৪৪ পিএম/ জেনিফার

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর