,

খানখানাপুরের গৃহবধু ইমাকে হত্যাকারী স্বামী মিরাজসহ অন্যান্যরা গ্রেপ্তার হয়নি

News

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর গ্রামের গৃহবধু ইমা (২১) হত্যার ২মাস পরেও এ পর্যন্ত হত্যাকারী স্বামী মিরাজসহ কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

গত ২৪ অক্টোবর রাত পৌনে ১২টার দিকে গৃহবধু ইমাকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মৃতদেহ বারান্দায় ঝুলিয়ে রাখে ঘাতক স্বামী মহিরুদ্দিন মন্ডল ওরফে মিরাজ (২৮)সহ তার পরিবারের লোকজন। পরদিন ইমার বড় ভাই লিটন মোল্লা থানায় খবর দিলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজবাড়ী মর্গে পাঠায় এবং তার শ্বাশুড়ী মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে। তবে বেশী দিন শ্বাশুড়ীকে জেল হাজতে থাকতে হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে সে জামিনে মুক্তি পায়। আর ইমার স্বামী ঘাতক মহিরুদ্দিন মন্ডল ওরফে মিরাজ এখনো রয়েছে পুলিশের চক্ষু আড়ালে।

মামলা সুত্রে জানাযায়, খানখানাপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের নেকবার মন্ডলের ছেলে চানাচুর ফ্যাক্টরীর শ্রমিক মোঃ মহিউদ্দিন মন্ডল ওরফে মিরাজের সাথে খানখানাপুর গ্রামের তোরাপ মোল্লার মেয়ে ইমার ৩বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী মিরাজসহ শ্বশুর বাড়ীর লোকজন তাকে নির্যাতন করতো। ঘটনার দিন গত ২৪ অক্টোবর রাত পৌনে ১২টার দিকে মিরাজ ও তার পিতা নেকবার মন্ডল(৬০), মা মমতাজ বেগম(৫০), বোন রুমা(৩২), ফেরদৌসী(৩০) ও জাকির হোসেন (২৮)সহ অজ্ঞাত ২/৩জন সাংসারিক বিষয়াদি নিয়ে নির্যাতন করে। নির্যাতনের এক পর্যায়ে উল্লেখিতরা ইমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর তার মৃতদেহ বসতঘরের বারান্দায় ঝুলিয়ে রেখে সে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করে এবং ইমার পিতার বাড়ীতে খবর দেয়।

ঘটনাটি বিশ্বাসযোগ্য না হওয়ায় ইমার বড় ভাই লিটন মোল্লা উল্লেখিতদের আসামী করে পর দিন রাজবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ ইমার শ্বাশুরীকে গ্রেফতার করে।

রাজবাড়ী থানার মামলা নং-৩৬, তাং-২৫/১০/২০১৪, ধারাঃ ৩০২/৩৪দঃ বিঃ। সম্প্রতি দাখিলকৃত ময়না তদন্ত রিপোর্টে সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাফিজ আল আসাদ উল্লেখ করেন নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে ইমাকে হত্যা করা হয়েছে।

 

 

আপডেট : শনিবার ডিসেম্বর ২০,২০১৪/ ০৬:৩৩ পিএম/ তামান্না

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর