,

দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির সময় তরুণী উদ্ধার : দালাল আটক

News

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি : ভাল কাজ দেওয়ার কথা বলে অসহায় এক তরুণীকে ফুসলিয়ে যৌনপল্লীতে নিয়ে বিক্রির চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়েছে আব্দুল খালেক নামের এক দালাল। শেষে গণধোলাই দিয়ে তাকে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার (৩১ডিসেম্বর) দুপুরে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ওই তরুণীর (২০) বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার পশ্চিম ধুতুবদিয়া গ্রামে। তিনি ঢাকায় হামিম গ্রুপের একটি গার্মেন্টে’র ওয়াশিং সেকশনে কাজ করতেন। পরে ওই চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি তার গ্রামের বাড়িতে ফিরে যান। সেখানে কয়েক মাস থাকার পর অভাবের কারণে তিনি বাড়ি থেকে ফের ঢাকায় ফিরে আসেন। বেশ কিছুদিন যাবত ঢাকার টঙ্গি এলাকার এক ভাড়া বাসায় থেকে ওই তরুণী নতুন চাকরির সন্ধান করছিলেন। এদিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার নলচর গ্রামের ওহাব আলীর ছেলে আব্দুল খালেক (৪৫) একজন নারী ব্যবসায়ী। বর্তমান তিনি ঢাকার তুরাগ থানার কামারপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। দীর্ঘদিন যাবত টঙ্গি বাজারে সবজি ব্যবসার পাশাপাশি আব্দুল খালেক দেশের বিভিন্ন যৌনপল্লীতে গোপনে নারীপাচার কাজ চালিয়ে আসছিলেন। এমন অবস্থায় গত কয়েক দিন আগে টঙ্গি বাজারে সবজি কিনতে গিয়ে খালেকের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রথম পরিচয় হয়। ঘটনার দিন বুধবার (৩১ডিসেম্বর) সকালে মোটা বেতনের ভাল কাজ দেওয়ার কথা বলে দালাল খালেক ওই তরুণীকে ফুসলিয়ে টঙ্গি থেকে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ে আসে। পরে দুপুর ১টার দিকে তাকে স্থানীয় য়ৌনপল্লীতে নিয়ে বিক্রির চেষ্টা চালায় খালেক। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে এলাকার লোকজন দালাল খালেককে হাতেনাতে আটক করে। পরে বেদম গণপিটুনি দিয়ে তাকে স্থানীয় থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মো. নাসির উল্যাহ বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল খালেক একজন নারী পাচারকারি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গোয়ালন্দঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধারকৃত ওই তরুণীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

আপডেট : বুধবার ডিসেম্বর ৩১,২০১৪/ ১০:৩০ পিএম/ তামান্না

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর