দৌলতদিয়াঘাটে তিন কিলোমিটার তীব্র যানজট

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ণ ,১৪ জানুয়ারি, ২০১৫ | আপডেট: ৬:০৮ অপরাহ্ণ ,১৪ জানুয়ারি, ২০১৫
পিকচার

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি : ফের ঘন কুয়াশায় আজ বুধবার দেশের ব্যস্ততম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে টানা সাড়ে ছয় ঘণ্টা ফেরি সার্ভিস বন্ধ ছিল। পাশাপাশি ঢাকাগামী গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় দৌলতদিয়া ঘাটে নদীপারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে বাস, মাইক্রোবাস, ট্রাকসহ শত শত বিভিন্ন গাড়ি। এতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে মহাসড়কের ক্যানেলঘাট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে আছে।

আজ বুধবার দুপুরে দৌলতদিয়াঘাট সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, টার্মিনালের বিশাল পার্কিং ইয়ার্ড লঞ্চপারাপার বিভিন্ন পরিবহন বাস ও ট্রাকে পরিপূর্ণ। অপরদিকে ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের ক্যানেলঘাট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার ফোরলেন রাস্তার এক পাশে দুই সারিতে বিভিন্ন পণ্যবোঝাই ট্রাকের সারি। অপরপাশে যাত্রীবোঝাই কয়েক শ বাস নদীপারের অপেক্ষায় দীর্ঘ সিরিয়ালে আটকা পড়ে আছে। কোথাও কোথাও গাড়ির চার-পাঁচ সারি সৃষ্টি হওয়ায় সেখানে তীব্র যানজট লেগে আছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়াঘাট অফিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত থেকে নদী অববাহিকায় হালকা কুয়াশা পড়তে থাকে। পরে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে নৌ চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়লে আজ বুধবার ভোররাত ৪টা থেকে নৌ রুটের সকল ফেরি সার্ভিস বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এ সময় যানবাহন ও যাত্রী বোঝাই দুটি ফেরি শাহ মখদুম ও খানজাহান আলী মাঝ নদীতে গিয়ে কুয়াশার কবলে পড়ে নোঙর করে রাখে। পরে কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পুনরায় ফেরি সার্ভিস চালু হয়।

এ ব্যাপারে বিআইডাব্লিউটিসির দৌলতদিয়াঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার কারণে আজ ভোররাত থেকে টানা সাড়ে ৬ ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। পাশাপাশি টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমাগামী মুসুল্লিদের বয়ে আনা গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় দৌলতদিয়া ঘাটে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে ট্রাক পারাপার আপাতত বন্ধ রেখে সিরিয়ালে থাকা যাত্রীবাহী বাসগুলো অগ্রাধিকারভাবে পারাপার করা হচ্ছে। বাসের চাপ কমে গেলে ট্রাকগুলো পারাপার করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

 

আপডেট : বুধবার জানুয়ারী ১৪,২০১৫/ ০৬:০৭ পিএম/ তামান্না

 


এই নিউজটি 846 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments