শবেবরাতে করণীয় ও বর্জনীয়

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১১:১১ পূর্বাহ্ণ ,২ জুন, ২০১৫ | আপডেট: ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ ,২ জুন, ২০১৫
পিকচার

ডেস্ক : মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য মহামান্বিত রজনী পবিত্র শবেবরাত বা ‘লাইলাতুল বরাত’। এ রাতকে মনে করা হয় কল্যাণ ও অফুরন্ত সওয়াব হাসিল করার জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের বিশেষ অনুগ্রহ। আজ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে শবেবরাত।

শবেবরাতে ইবাদত-বন্দেগির মধ্যে নিমগ্ন থাকা প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের প্রধান কাজ। এই রাতের সূচনাতেই অর্থাৎ সূর্যাস্তকালে গোসল করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। অতঃপর মাগরিবের নামাজ পড়ে তাসবিহ-তাহলীল পাঠ করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়।

এশার নামাজ পড়ে (বিতরের নামাজ বাকি রেখে) দুই রাকাত নিয়তে নফল নামাজ পড়তে পারেন। এর মাঝে কিছুক্ষণ পর পর দোয়া করবেন, দরুদ শরিফ পড়বেন, ক্বোরআন তিলাওয়াত করবেন। সেই সঙ্গে বেশি বেশি করে কাজ্বা নামাজগুলো আদায় করবেন। এভাবে পূর্ণ ফজিলতের আশায় সারারাত ইবাদাতের মাধ্যমে কাটিয়ে দিতে হবে।

এ রাতে তওবা-ইস্তেগফার করা, আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন মেটানোর জন্য আকুতি জানানো এবং জীবিত ও মৃতদের পাপরাশি ক্ষমা লাভের জন্য প্রার্থনার উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। এ রাতে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, কবর জিয়ারত ও পরদিন নফল রোজা রাখার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভে সক্ষম হয় এবং ব্যক্তিজীবনে এর বাস্তব প্রতিফলন ঘটে।

নবী কারিম (সা.) নিজেও এ রাতে কবর জিয়ারত করতেন এবং ইবাদতে নিমগ্ন হতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শাবান মাসের ১৫ তারিখে রোজা রাখবে, দোজখের আগুন তাকে র্স্পশ করবে না।’ (আবু দাউদ)

শবেবরাতে বর্জনীয় :-

শবে বরাতে করণীয় আমলের সঙ্গে কতগুলো বর্জনীয় বিষয়ও সম্পৃক্ত আছে। এ র