রাজবাড়ীতে প্রথম আলো’র প্রতিনিধিসহ ১৭জনের মধ্যে বেকার ঋণ বিতরণ

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ ,১৮ আগস্ট, ২০১৫ | আপডেট: ১০:২৯ অপরাহ্ণ ,১৮ আগস্ট, ২০১৫
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর রাজবাড়ী সদর উপজেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে যুবদের বেকারত্ব দূরীকরনের জন্য আত্নকর্মসংস্থান সৃজনের লক্ষে যুব ঋণ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সদর উপজেলার ১৭জন বেকার যুবদের মাঝে ১০লক্ষ ১০হাজার টাকার যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

গত ১৫ই আগস্ট বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে এ চেক বিতরণ করা হয়।

জানাগেছে, ঋণ প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার রাজবাড়ী প্রতিনিধি, স্থানীয় একটি বেসরকারী কলেজের শিক্ষক ও সদর উপজেলার চরলক্ষীপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ এজাজ আহমেদ, বিনোদপুরের মোঃ রাজু আহম্মেদ, বিলনয়াবাদের মোঃ আঃ বারী শেখ, বেনীনগরের মিনু আক্তার, মূলঘরের হুমায়ন কবির, বিলনয়াবাদের মোঃ আব্দুল মান্নান মিয়া, গুপ্তমানিক গ্রামের মোঃ ছোলায়মান বিশ্বাস, একই গ্রামের মোঃ ইউনুস ভূইয়া, শ্রীপুরের মোঃ মামুন হোসেন, মোনালিসা ইমাম, পাকুরিয়ার রোজিনা খাতুন, কোলা গ্রামের মোঃ টিটন বিশ্বাস, সজ্জনকান্দার শারমীন হাসান, বাজিতপুরের জহুরুল ইসলামদণি ভবানীপুরের মোঃ সাইফুল ইসলাম, বেথুলিয়ার সৈয়দ সামছুল হক এবং বিলনয়াবাদ গ্রামের মোঃ বাচ্চু মন্ডল।

একজন কর্মজীবী ব্যক্তি কিভাবে যুব ঋণ পায় এ প্রশ্নের জবাবে রাজবাড়ী সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আতাহার আলী জানান, মোঃ এজাজ আহমেদ(৩৫) নিজেকে বেকার যুবক হিসেবে উল্লেখ করে প্রশিক্ষণ সনদ সহকারে আবেদন করায় তাকে তার “এষা কম্পিউটার” নামক প্রকল্পের জন্য ২য় দফায় ৬৫হাজার টাকা ঋণ মঞ্জুর করা হয়। এরআগেও তিনি ৪০হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন।

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আতাহার আলী আরো জানান, গতকাল ১৫ই আগস্ট বেলা ১১টায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে উল্লেখিত ১৭জনের মধ্যে ১৪জনের হাতে ঋণের চেক তুলে দেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ জিল্লুল হাকিম, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী, সংরতি মহিলা আসনের সংসদ সদস্য কামরুন নাহার চৌধুরী লাভলী ও জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান। তবে চেক বিতরণ মঞ্চে এজাজ আহমেদের নাম ঘোষণা করা হলেও তিনি অজ্ঞাত কারণে অতিথিদের হাত থেকে ঋণের চেক গ্রহণ করেননি। ঋণ গ্রহীতা অপর ২জন অসুস্থ্যতার কারনে আসেননি। অনুষ্ঠান শেষ হবার পর এজাজ আহমেদ তাকে ফোন করেছিলেন চেক নেয়ার জন্য কিন্তু তখন অফিস বন্ধ থাকায় তাকে চেক গ্রহনের জন্য রবিবার অফিসে আসতে বলেছিলেন।

সর্বশেষ খবরে জানাগেছে,  এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা হওয়ায় এজাজ আহমেদ ৩দিন দ্বিধা-দন্দে ভোগার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট)) বিকেলে সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আতাহার আলীর কাছ থেকে ঋণের চেক গ্রহণ করেছেন।

এদিকে, জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সাংবাদিক এবং কলেজের শিক্ষক এজাজ আহমেদ কর্মজীবী হওয়া সত্ত্বেও বেকার ঋণ পাওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে এজাজ আহমেদের সাথে যোগযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।


এই নিউজটি 634 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments