,

রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে চলছে ঘুষের মহোৎসব!

News

স্টাফ রিপোর্টার : ঘুষের মহোৎসব চলছে রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে। হিসেবটি পুরনো হলেও সড়কে রেজিস্টেশন বিহীন কোন মোটর সাইকেল চলবে না ঘোষনা করায় এখানে নতুন করে যোগ হয়েছে বাড়তি আমেজ। অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবৈধভাবে অর্থ হাঁকিয়ে নিলেও দেখছে না কেউ? তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না সরকারী কর্মচারীরাও। ঝামেলা ও জটিলতা এড়াতে অনেকেই বাধ্য হচ্ছে তাদের দাবীকৃত উৎকোচ দিতে। আর যারা তাদের দাবীকৃত টাকা দিচ্ছেন না তাদের কপালে জুটছে নানা রকমের ভোগান্তি।

বিআরটিএ অফিসে গিয়ে দেখা গেছে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) বিলাস সরকার অফিসে নেই। তিনি নাকি সপ্তাহে একদিন অফিস করেন। তার অনুপস্থিতিতে যার দায়িত্বে থাকার কথা সেই মোটরযান পরিদর্শক লিটন বিশ্বাসও অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত। অফিসের ৩/৪জন ছাড়া সবাই দালাল। এই সব দালালদের মাধ্যমেই ঘুষ লেনদেন হচ্ছে।

মোটর সাইকেলের রেজিস্টেশন করতে আসা পাংশা বিআরডিবি অফিসের মাঠ কর্মী নাসির উদ্দিন জানালেন ব্র্যাক ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া পরও তার কাছে বাড়তি টাকা দাবী করা হয়েছে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাকে ঘোরানো হচ্ছে। জাহিদ নামের একজন জানালেন তিনি মোটর সাইকেলের লাইন্সেসের জন্য বিআরটিএ অফিসে সাড়ে ৬হাজার টাকা জমা দিয়েছেন।

জব্বার নামের একজন জানালেন ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য তাদের দাবীকৃত টাকা দিলেই কোন পরীা টরিা দেয়া লাগে না। এমনতিই লাইসেন্স হয়ে যায়।

এ বিষয়ে অফিস সহকারী আবু বকর সিদ্দিকীর কাছে জানতে চাওয়া তিনি বলেন কর্মকর্তারা নেই। তাদের ছাড়া আমি কোন কথা বলতে পারবো না। এক পর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন আপনাদের কাছে কি কৈফিয়ত দিতে হবে? কাজ করতে দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানালেন, বিআরটিএ অফিসে ঘুষ ছাড়াও কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স বা কোন গাড়ীর রেজিস্টেশন হয় না। জটিলতা বা ভোগান্তির কথা ভেবে তাদের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগও করতে চাই না। আর অভিযোগ করলেও বিআরটিএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কিছুই হয় না।

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর