,

সর্বশেষ :
গোয়ালন্দে কমিটি দেয়ায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে শোকজ রাজবাড়ীতে নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে আসছেন আসমা সিদ্দিকা মিলি রাজবাড়ীর বসন্তপুরে তরুণী ধর্ষণকে কেন্দ্র করে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি রাজবাড়ীতে ৭ বখাটে মিলে গণর্ধষণ করে সেই তরুণীকে রাজবাড়ীতে তরুণীকে গণধর্ষণের চেষ্টা, আটক ৩ রাজবাড়ীতে সিগারেট না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ পাংশায় অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ৪ লাখ টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক রাজবাড়ীতে কাজী শান্তনু’র নেতৃত্বে ছাত্রলীগের মাতৃভাষা দিবস পালন শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে এসে শ্লীলতাহানির শিকার স্কুলছাত্রী

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পদ্মায় ট্রলার চলাচল : প্রতিনিয়তই ঘটছে দূর্ঘটনা

News

রাজবাড়ী ডেস্ক : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাট থেকে আশপাশের কয়েকটি জেলার মানুষ পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছেন অনুমোদন বিহীন লক্কর-ঝক্কর ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে। এসব ট্রলারে যাত্রী তোলা, চালকের প্রশিক্ষন, ধারণ ক্ষমতাসহ কোন ধরনের আইন-কানুন মানা হয় না। এ কারনে প্রতিনিয়তই ঘটছে ট্রালার ডুবির ঘটনা।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের সাথে কথা বলে জানা যায়, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে শত শত ইঞ্জিন চালিত ট্রলার বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে চলাচল করে। পাবনা জেলার নাজিরগঞ্জ, কাজীর হাট, বেড়া, আমিনপুর, মানিকগঞ্জ জেলার ঝিটকা, হরিরামপুর, আরিচা, রাজবাড়ী জেলার অন্তার মোড়, গুদার বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় শত শত মানুষ প্রতিদিন এ সব ট্রলারে পদ্মা পাড়ি দেয়। পাশাপাশি চরাঞ্চলের হাজারো মানুষ দৈনন্দিন কাজে এসব ট্রলারে যাতায়াত করে।

এসব নৌযানের নেই কোনো কাগজপত্র। নেই যাত্রী পরিবহনের যথাযথ দিক নির্দেশনা, নেই যাত্রীদের জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম। একটি ট্রলারে কতজন যাত্রী তোলা যাবে নেই তার কোন নির্দেশনা। যাত্রী বা মালামাল ইচ্ছা মত তুলে ট্রলারগুলো রওনা দিচ্ছে উত্তাল পদ্মায়।

দৌলতদিয়া ঘাটে এক ট্রলার চালককে ট্রলারের ফিটনেস বা কাগজপত্রের বিষয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তার সাফ জবাব, ‘ট্রলারের কোনো কাগজপত্র বা ফিটনেসের দরকার হয় না। যুগের পর যুগ এভাবে চলে আসছে।’ তার নাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি তার নামটিও না বলে চলে যায়।

স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেন, ট্রলার মালিকরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে সাধারন মানুষের জীবন ঝুকির মধ্যে ফেলে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। তারা আরো বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চলাচল কারী লঞ্চগুলোকে বিভিন্ন কাগজপত্রের ত্রুটিতে ভ্রাম্যমান আদালত বিভিন্ন সময় জরিমানা আদায় করে। কিন্তু যাদের কোন কাগজ পত্রই নেই তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

বাংলাদেশ অভ্যান্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা অফিসের সহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, নদীতে চলাচলকারী ইঞ্জিন চালিত কোন ট্রলারই বৈধ না। বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হকের কঠোর নির্দেশের পরও স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পূর্ন সহযোগিতা না পাওয়ায় অনুমোদনহীন এ সকল ট্রলার বন্ধ করা যাচ্ছে না।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সামছুল আলম জানান, অবৈধ ট্রলার চলাচল বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হলেও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ করা যায়নি।

 

(সংবাদ সৌজন্য – গোয়ালন্দ নিউজ)

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর