পাংশায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই চরমপন্থী নিহত : অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ ,৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ | আপডেট: ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ ,৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কামাল হোসেন ওরফে খুনী কামাল (৪৭) ও ওমর খান (৩৫) নামের দুই চরমপন্থী নেতা নিহত হয়েছে। এসময় পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু শ্যামা মোঃ ইকবাল হায়াতসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার পূর্ব পাট্টা ইউপির বিল-নিহারী গ্রামের মোস্তফার মেহগনি বাগানে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে কামাল হোসেন পাংশা থানার সাবেক ওসি মিজানুর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামী।

নিহত ওমর খান পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউপির বড়-চৌবাড়িয়া গ্রামের জালাল খানের ছেলে ও কামাল হোসেন একই উপজেলার কশবামাজাইল ইউপির শান্তিখোলা গ্রামের মৃত জিয়ারত মন্ডলের ছেলে।

পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু শ্যামা মোঃ ইকবাল হায়াত জানান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম এর নির্দেশে পাংশা থানা পুলিশ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক উদ্ধার ও সন্ত্রাসী-চরমপন্থী দমনে তৎপরভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুই চরমপন্থী নেতা কামাল ও ওমরকে গ্রেফতার করে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাত সোয়া ৩টার দিকে তাদেরকে উপজেলার পূর্ব পাট্টা ইউপির বিল-নিহারী গ্রামের মোস্তফার মেহগনি বাগানে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা তাদের গ্রুপের অন্য সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি বর্ষণ শুরু করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এসময় নিজ গ্রুপের সদস্যদের গুলিতে কামাল ও ওমর গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে ২টি ওয়ানশুটারগান, ১টি একনলা বন্দুক ও ৫ টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বন্দুকযুদ্ধে পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু শ্যামা মোঃ ইকবাল হায়াত, এসআই তরফদার হাবিবুর রহমান, এসআই আবু সায়েম, কনস্টেবল সেলিম মিয়া ও কনস্টেবল সোহেল সরকার আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহত চরমপন্থী নেতা কামাল হোসেন ২০০৪ সালে পাংশা থানার তৎকালীন ওসি মিজানুর রহমান হত্যা মামলাসহ পৃথক ৫টি মামলার আসামী এবং ওমর খান পাংশা ও কালুখালী থানার হত্যা ও ডাকাতির পৃথক ৪টি মামলার আসমী বলে জানাগেছে।

এদিকে, বন্দুকযুদ্ধে দুই চরমপন্থী নেতা নিহত হওয়ার খবরে এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তিভাব বিরাজ করছে।

 

 


এই নিউজটি 839 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments