,

খানখানাপুরে চোরের উৎপাত বৃদ্ধি : প্রায় প্রতি রাতেই ঘটছে চুরি

News

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুরে চোরের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। খানখানাপুর বাজারে গত ৪ দিনে পর পর ৪টি দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। পূজার সময় এ রকম চুরি সংঘটিত হওয়ায় ভীত সন্তস্ত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। এ কারনে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অফিসারসহ অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়নের দাবী জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৯শে অক্টোবর রাতে খানখানাপুর বাজারের বাবলু কর্মকারের স্বর্ণের দোকানের টিনের চাল খুলে দোকানের মধ্যে প্রবেশ করে সিন্দুকে রক্ষিত স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ প্রায় ৫লক্ষ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় অজ্ঞাত চোরেরা। একই রাতে খানখানাপুর হাট-বাজারের ইজারাদার মোঃ আক্কাস সরদারের দোকানেও নগদ অর্থসহ প্রায় ৫০হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়। এর আগে ১৭ই অক্টোবর রাতে খানখানাপুরে উপমহাদেশের দ্বিতীয় মন্দির শ্রী শ্রী অর্ণাপূর্না মন্দিরের দু’টি তালা ভেঙ্গে মন্দিরের ভিতরে অবস্থিত সিন্দুকে থাকা দানের টাকা চুরি করে নিয়ে যায় অজ্ঞাত চোরেরা। ওই রাতে স্থানীয় রবিন পল্ট্রি হাউজেও চুরি সংঘটিত হয়। খানখানাপুরের মিয়াপাড়া, সাহাপাড়া ও মলি¬কপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতি রাতেই এ রকম চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজার মূহুর্তে এ রকম চুরির ঘটনা ঘটায় ভীত সন্তস্ত হয়ে পড়েছে তারা।

এ বিষয়ে খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি-টু লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আইসি ইকবাল হোসেন ঢাকায় ট্রেনিংয়ে থাকায় তিনটি ইউনিয়নে মাত্র ১০জন কনস্টেবল দিয়ে পূজার ডিউটি, চেকপোষ্ট ডিউটি এবং নাইট ডিউটি করানো হচ্ছে। সবদিকে সামাল দেওয়ার মত পর্যাপ্ত লোকবল ফাঁড়িতে নেই।

দূর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে খানখানাপুর পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের একজন অফিসারসহ অতিরিক্ত কয়েকজন সদস্য মোতায়েনের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর