,

গোয়ালন্দে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরি; টার্গেট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান

News

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি॥ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারী বে-সরকারী অফিস কক্ষ ও বাসাবাড়িতে আশঙ্কাজনক হারে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় প্রতি রাতেই এসব ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এ ব্যাপারে কাউকে আটক করতে পারেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অনুষ্ঠিত গোয়ালন্দ পৌরসভা নির্বাচনের ২দিন পর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার ভগ্নিপতি ২নং পৌর এলাকার আমজাদের বাড়ী থেকে মোটর সাইকেল চুরি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী সহিংসতায় রূপ নেয়।

এছাড়াও উপজেলার চরবালিয়াকান্দী গ্রামের আঃ জব্বারসহ বিভিন্ন বাড়ি থেকে অটোরিক্সার চার্জার ব্যাটারী চুরি হয়। তবে ঝুটঝামেলার ভয়ে কেউ কোন মামলা করেনি।

অপরদিকে গত ১৭জানুয়ারি রাত আড়াইটায় ছোটভাকলা ইউনিয়নের ডকইয়ার্ড মিস্ত্রী জামাল ঢাকা থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় উপজেলা রেলগেট নামলে তার কাছে থাকা নগদ ২২হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা। গত ১৯ জানুয়ারি রাতে উপজেলা কমপ্লেকস শাখা সোনালী ব্যাংকের সামনে অবস্থিত ফরেষ্ট অফিস ও দারিদ্র বিমোচনের অফিসের তালা ভেঙ্গে ফাইল পত্র তছনছ করে নগদ ১৬ হাজার টাকা নিয়ে যায় অজ্ঞাত চোরেরা।

এরপর ২০জানুয়ারি রাতে গোয়ালন্দ পৌরসভার অফিস, রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজ, উজানচর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেওয়ান রহমত উল্লাহ কিন্টার গার্টেন এর অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে ফাইল পত্র তছনছ করে চোরেরা। এ ব্যাপারে পৌরসভার সচিব জানান, অফিসের থাকা ২২০ টাকা নিয়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় ফাইল পত্র তছনছ করেছে। এ ব্যাপরে থানা ডাইরী করা হয়েছে। এছাড়াও অফিসের সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ থানায় জমা দেয়া হয়েছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা ফরেষ্ট অফিসার সাজ্জাদ হোসেন জানান, আমার অফিসের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র চুরি করে আমাকে ফাঁসানোর জন্য কেউ এ ঘটানা ঘটাতে পারে। আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে আমি মামলা করব।

এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম শাহ্জালাল বলেন, চুরির পিছনে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে। আমারা ভিডিও ফুটেজ দেখে দ্রুত চোর ধরার চেষ্টা করছি। আসা করি চোর ধরতে পারলে চুরির আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর