কেরানীগঞ্জ থেকে অপহৃত শিশু রাজবাড়ীতে উদ্ধার, আটক ২

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৭:২৩ অপরাহ্ণ ,১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ | আপডেট: ৭:২৩ অপরাহ্ণ ,১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে অপহরণ হওয়ার দুই দিন পর সানজিলা নামের দেড় বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজবাড়ী জেলা সদরের সুলতানপুর ইউনিয়নের শাইলকাঠি গ্রাম থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

এসময় অপহরণের সাথে জড়িত দুই যুবককে আটক করা হয়। এরা হলো – মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার গালা গ্রামের হেলাল বিশ্বাসের ছেলে রিপন (২৬) ও বরিশাল জেলার মুরাদী উপজেলা তেরচর গ্রামের জাকির হাওলাদের ছেলে শাওন (২২)।

উদ্ধার হওয়া শিশু সানজিলা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের প্লাষ্টিকের হ্যাঙ্গার ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনের একমাত্র মেয়ে।
সানজিলার বাবা আনোয়ার হোসেন জানান, রিপন ও শাওন তার কর্মচারী। গত ১৪ ডিসেম্বর তিনি রিপনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৯ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে তিনি বাসায় না থাকার সুযোগে রিপন ও শাওন যোগসাজশ করে তার স্ত্রীর কাছ থেকে ঘুরে বেড়ানোর কথা বলে শিশু সানজিলাকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তারা সানজিলাকে আটকে রেখে মোবাইল ফোনে দেড় লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে আসছিল। গত ৩০ জানুয়ারি একটি বিকাশ নম্বরে তাদেরকে ১০ হাজার টাকাও দেয়া হয়।

রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ্ মোঃ আওলাদ হোসেন জানান, শিশুকে অপহরণ করার পর রিপন ও শাওন তাকে রাজবাড়ীতে নিয়ে আসে। ৩১ জানুয়ারি সুলতানপুর ইউনিয়নের শাইলকাঠী গ্রাম দিয়ে শিশুটিকে চাঁদরে মোড়ানো অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বকু মোল্লার নজরে পড়ে। এ সময় বকু মোল্লার সন্দেহ হলে তিনি তাদেরকে ডাক দিয়ে শিশুটির পরিচয় জানতে চায়। এ সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় বকু মোল্লা স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে তাদেরকে আটক করে থানায় ও শিশুটির পরিবারকে মোবাইলে খবর দেয়।
খবর পেয়ে তিনিসহ (ওসি) এসআই বদিয়ার রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার ও অপহরণকারী রিপন ও শাওনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

অপরদিকে খবর পেয়ে শিশুটির পিতাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও রাজবাড়ীতে আসেন এবং রাতেই শিশুটিকে কেরানীগঞ্জে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ থানায় শিশু অপহরণ ও মুক্তিপন দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানা গেছে।

 


এই নিউজটি 457 বার পড়া হয়েছে
[fbcomments"]