পাংশায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ ,৬ এপ্রিল, ২০১৬ | আপডেট: ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ ,৬ এপ্রিল, ২০১৬
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীর পাংশায় অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ওই ছাত্রীর পিতা পাংশা থানায় ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর বিকেলে ওই ছাত্রী আদালতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দী প্রদান করেছেন। তবে মামলার আসামিরা  পলাতক থাকায় তাদেরকে এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

ওই ছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসায় যাওয়া আসার পথে ভাতশালা গ্রামের রওশন কাজী ওরফে রওশন কসাইয়ের ছেলে এক সন্তানের জনক জুয়েল কাজী (২৮) ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করতো। গত সোমবার রাতে ওই ছাত্রী প্রতিবেশীর বাড়িতে পিয়াজ কাটার কাজ করছিল। রাত ১০টার দিকে সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে জুয়েল ও তার দুই সহযোগী পিছন থেকে তাকে মুখ চেপে ধরে একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে জুয়েল তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন এলাকাবাসীর সহযোগিতায় খোঁজাখুঁজি করে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় জুয়েলসহ অন্যান্যরা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর রাতেই এলাকাবাসী ওই ছাত্রীকে বিয়ের দাবিতে জুয়েলের বাড়িতে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পাংশা থানা পুলিশ ওই ছাত্রীকে থানায় নিয়ে আসে। পরে বিকেলে ওই ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন মামলায় পাংশা থানায় ধর্ষক জুয়েল ও তার দুই সহযোগীর নামে একটি মামলা দায়ের করেছে।  মামলার অপর দুই আসামি হলো- ভাতশালা গ্রামের আযান মল্লিকের ছেলে আমিরুল মল্লিক (২৯) ও ময়েন উদ্দিনের ছেলে ইকবাল (২৬)।

মঙ্গলবার রাতে পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু শ্যামা মোঃ ইকবাল হায়াত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। তবে তাদের গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রযেছে।

 


এই নিউজটি 1016 বার পড়া হয়েছে
[fbcomments"]