বালিয়াকান্দির ইসলামপুর ইউপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা বৈঠক

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ ,১৮ এপ্রিল, ২০১৬ | আপডেট: ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ ,১৮ এপ্রিল, ২০১৬
পিকচার

বালিয়াকান্দি প্রতিনিধি নির্বাচনী সহিংসতার প্রেক্ষিতে বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের আয়োজনে ইসলামপুর ইউপির আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আহম্মেদ আলী মাস্টার এবং স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হোসেন খানের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রামদিয়া হাই স্কুল প্রাঙ্গনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সমঝোতা বৈঠকে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান, সহকারী কমিশনার(ভূমি) ফারজানা জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান মোল্লা, বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম পিপিএম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রঘুনন্দন সিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এরআগে গত ১৬ই এপ্রিল রাতে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম এর উদ্যোগে তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের ১০ জন করে প্রতিনিধি নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা এই সমঝোতা বৈঠক আয়োজনে সহায়ক হয়।

সমঝোতা বৈঠকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হোসেন খান বলেন, আমার রাজনীতির বয়স ৪৭বছর। আমি মানুষের মঙ্গলার্থে রাজনীতি করি। জনগণ যদি আমাকে চায় তাহলে আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হব, আর যদি না চায় তাহলে আমি পরাজিত হব-এটাই স্বাভাবিক। পরাজয় মেনে নেয়ার মন-মানসিকতাও আমার রয়েছে। আমি কোন ধরণের বিশৃংঙ্খলা পছন্দ করি না। তাই আমি কোন সহিংসতার মধ্যে নেই। ফলাফল যাই হোক আমি তা মেনে নেব। এ সময় তিনি প্রশাসনের নিরপক্ষেতার প্রশংসা করে বলেন, এখন পর্যন্ত প্রশাসন নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছে। আমি আশা করছি, নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে।

আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আহম্মেদ আলী মাষ্টার বলেন, আমার প্রতিপক্ষ সম্পর্কে চাচা হন। আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা আমাদের দু’জনের সম্পর্কের মাঝে কিছুটা দুরত্ব সৃষ্টি করেছে। আজ থেকে আর কোন সহিংসতা হবে না। এসময় তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আবুল হোসেন খানের প্রচার প্রচারণায় সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, ৩য় দফায় অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে বালিয়াকান্দির ইসলামপুর ইউনিয়ন উত্তপ্ত হয়ে উঠে। নির্বাচনী সহিংসতায় পুলিশসহ অন্তত ২০জন আহন হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশকে ৫রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছুড়তে হয়। কয়েকবার ঘটে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং প্রচার মাইক ও নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের ঘটনা।

 


এই নিউজটি 891 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments