রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগ থেকে এ্যাডঃ ইমদাদ বিশ্বাসের পদত্যাগ

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৮:২৯ অপরাহ্ণ ,১১ মে, ২০১৬ | আপডেট: ৮:২৯ অপরাহ্ণ ,১১ মে, ২০১৬
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের ‘শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক’ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাডঃ ইমদাদুল হক বিশ্বাস।

গত ৯ই মে তিনি রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত পদত্যাগ পত্র রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরন করেন।
পদত্যাগ পত্রে এ্যাডঃ ইমদাদুল হক বিশ্বাস উল্লেখ করেছেন, নবগঠিত জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে তাকে ‘শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক’ পদ দেওয়ায় দলের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করেন, তিন বারের নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সফল আইনজীবী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ভাল সংগঠক, সর্বোপরি একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে তাকে ‘সম্মানজনক পদ’ দেওয়া হয়নি। তিনি মনে করেন, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের অনুমোদিত কমিটি প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার এবং ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না।
আওয়ামী লীগে যোগদানের পূর্বে তিনি দীর্ঘদিন রাজবাড়ী জেলা জাতীয় পার্টি সভাপতি ছিলেন। পদত্যাগপত্রে এ্যাডঃ ইমদাদুল হক বিশ্বাস আরো উল্লেখ করেছেন, তার পিতা ওয়াহাব আলী বিশ্বাস রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সহ-সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহচর ছিলেন। তিনি(এডঃ ইমদাদুল হক বিশ্বাস) ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ গঠন হওয়ার পর প্রথমবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২য় বার ১৯৯০ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০০৯ সালে তৃতীয় বারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরপর ৩বার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি তিনি রাজবাড়ী জজ কোর্টের একজন আইনজীবী।

বিগত দিনে জেলা আওয়ামী লীগের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় দলের সকল নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন। রাজবাড়ী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কমিটি গঠনে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে দলীয় ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনে সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন। তাকে জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদ দেয়ায় তা তার সামাজিক ও পারিবারিক ঐতিহ্যের কিছুটা হলেও অসম্মান হওয়ায় সার্বিক বিবেচনা করে তিনি পদত্যাগ করেন।


এই নিউজটি 1498 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments

More News from রাজনীতি