সাংবাদিকের পিতাকে বাঁচাতে এসআই শামীমের মানবতা!

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১০:০৫ অপরাহ্ণ ,৩১ মে, ২০১৬ | আপডেট: ১০:৩১ অপরাহ্ণ ,৩১ মে, ২০১৬
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : পুলিশ কখনো ভালো বা মানবতার কাজ করে না । বাহিনীটি সম্পর্কে মানুষের মনে এমন ধারণা বৃটিশ শাসনামল থেকে বিদ্যমান । নিজ বাহিনী সম্পর্কে মানুষের এমন নেতিবাচক ধারণাকে কালে কালে মিথ্যা বলে প্রমাণ করেছেন অনেক পুলিশ সদস্যই । এবার শত ব্যাস্ততা উপেক্ষা করে সাংবাদিকের পিতার জীবন বাঁচাতে রক্ত দেওয়ার জন্য হাসপাতালে ছুটে গিয়ে পুলিশ সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারণাকে আবারো মিথ্যা প্রমাণ করলেন রাজবাড়ী সদর থানার এসআই শামীম হাসান ।

৩১ মে সকালে সাংবাদিক খন্দকার রবিউল ইসলামের পিতার অসুস্থ্যতা ও রক্ত প্রয়োজনীয়তার খবর শুনে স্থির থাকতে পারেননি এসআই শামীম। মানবতার টানে শত ব্যাস্ততা উপেক্ষা করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে গিয়ে রক্ত দিয়ে সাংবাদিকের পিতার জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করেন তিনি ।

সাংবাদিক রবিউল ইসলাম বলেন, পুলিশ যে জনগণের বন্ধু তা প্রমাণ করলেন এসআই শামীম । শামীম রক্ত দিয়েছেন দুই মাস আগে । প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী একজন রক্তদাতা ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে একবারের বেশি রক্ত দিতে পারে না। কিন্তু আমি শুধু উনাকে একবার বলেছি যে আমার বাবার অপরেশন হবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, রক্তের প্রয়োজন । এ কথা শুনেই তিনি পুলিশ সুপার মহোদয়ের অনুমতি নিয়ে মানবতার টানে শত ব্যাস্ততা উপেক্ষা করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে গিয়ে রক্ত দিয়ে আমার বাবার জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করেন ।

রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মহোদয়ের অধিনস্থ অধিক আংশ পুলিশ সদস্য শুধু পুলিশই নয়, তারা মানবতার সেবকও বটে। রক্ত দিয়ে আমার বাবার জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করার জন্য রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম এবং এসআই শামীম হাসানের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকবো । এছাড়া আমার বাবার জীবন বাঁচাতে আমার কাছের বন্ধু সাংবাদিক রঞ্জু আহমেদও এক ব্যাগ রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করেছে । তার কাছেও আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকবো ।

মানুষের বিপদে আপদে এসআই শামীম ও সাংবাদিক রঞ্জুর মতো সকল পুলিশ সদস্য এবং সাংবাদিকদেরকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান সাংবাদিক রবিউল ।

 

 


এই নিউজটি 2826 বার পড়া হয়েছে
[fbcomments"]