,

নৌকা ডুবিতে নিহতদের পরিবার প্রতি ২০ হাজার টাকা সহায়তা

News

স্টাফ রিপোর্টার॥  রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার কালিকাপুর ইউপির হরিণবাড়িয়ার পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিহতদের দাফনের জন্য পরিবার প্রতি ২০ হাজার টাকা করে সহায়ত দেওয়া হবে।

শনিবার সকাল ১০ টার দিকে নৌকা ডুবিতে নিহতদের লাশগুলো দেখতে এবং শোকাহত পরিবারবর্গকে সমবেদনা জানাতে হরিণবাড়িয়ার পদ্মা পাড়ে যান জেলা প্রশাসক বেগম জিনাত আরা ও পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির (পিপিএম)।

এসময় জেলা প্রশাসক বেগম জিনাত আরা নৌকাডুবির ঘটনায় নিহতদের দাফনের জন্য পরিবার প্রতি ২০ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে হরিণবাড়িয়া ঘাট থেকে ইঞ্জিন চালিত একটি নৌকা ৩৫জন যাত্রী নিয়ে সাদার চরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। নৌকাটি কিছুদূর যাওয়ার পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে পদ্মা নদীর তীব্র ¯্রােতের পাকে ডুবে যায়। এসময় নৌকাটি ডুবে যাওয়া দেখে স্থানীয়রা আরেকটি নৌকা নিয়ে উদ্ধার করতে গেলে সেটিও নদীতে ডুবে যায়। পরে স্থানীরা আরও নৌকা নিয়ে ডুবে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করলেও নিখোঁজ ছিলেন ৭ যাত্রী। শুক্রবার রাত থেকে পাংশা ফায়ার সার্ভিস ও রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরি দল সেখানে উদ্ধারকাজ চালিয়ে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৫জনের লাশ উদ্ধার করেন।

যে ৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউপির আলোকদিয়া গ্রামের আলতাফ হাওলাদারের দুই ছেলে রাহুল (৪) ও রাজু (৬), পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউপির চর রামনগর গ্রামের আকবর আলীর স্ত্রী হালিমন (৫০) ও মেয়ে ফরিদা (২৫) এবং একই গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্লার মেয়ে ছয় মাসের গর্ভবতী বেগম বিবি (৩৫)। এ ঘটনায় এখনো দুলাল (৩৬) ও হাসিনা (৫) নামের দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন ।

এদিকে, নৌকাডুবির পর থেকেই নিখোঁজদের স্বজনরা পদ্মাপাড়ে আহাজারি করতে থাকেন। লাশ উদ্ধারের পর সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাশ ভারী হয়ে ওঠে।

কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার  কামরুল হাসান জানান, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরী দল নিখোঁজ দুলাল ও হাসিনার লাশ উদ্ধারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর