,

তাদের এখন হেফাজত দরকার: ইমরান এইচ সরকার

News

ঢাকা ডেস্ক : ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, যারা বলেন গণজাগরণ মঞ্চের দরকার নেই, আসলে তাদের দরকার হেফাজতে ইসলাম ও জামায়াতে ইসলাম। গণজাগরণ মঞ্চ কারও প্রয়োজনে তৈরি হয়নি। কারও প্রয়োজনে ঘরে ফিরেও যাবে না।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক সমাবেশে ইমরান এইচ সরকার এ কথা বলেন। একই সময় জাদুঘরের উত্তর পাশে সমাবেশ করে গণজাগরণ মঞ্চের আরেকটি অংশ। সেখানে সমাবেশ করেন কামাল পাশা চৌধুরীর সমর্থকেরা।

ইমরান এইচ সরকার সমর্থিত গণজাগরণ মঞ্চের একাংশ ছয় দফার বাস্তবায়ন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে দীর্ঘসূত্রতার প্রতিবাদে সমাবেশ করে।

সমাবেশে গণজাগরণ মঞ্চকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে অভিযোগ করে ইমরান এইচ সরকার বলেন, মঞ্চে নানাভাবে হামলা-মামলা, আক্রমণ হচ্ছে। যাঁরা ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গণজাগরণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে শপথ নিয়েছিলেন, এ রকম অনেকে এখন বলছেন, গণজাগরণ মঞ্চের দরকার নেই। তিনি বলেন, তাদের আসলে দরকার হেফাজতে ইসলাম, জামায়াতে ইসলাম।

ইমরান এইচ সরকার বলেন, কারও প্রয়োজনে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি হয়নি। কারও প্রয়োজনে গণজাগরণ মঞ্চ ঘরে ফিরে যাবে না। কাউকে ক্ষমতায় নিতে বা ক্ষমতা থেকে ফেলতে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে, পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে কোনো লাভ হবে না। ছয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত গণজাগরণ মঞ্চ ঘরে ফিরে যাবে না।

রাজনীতিকদের উদ্দেশে ইমরান বলেন, “আপনারা রাজনীতি করেন, ক্ষমতায় যেতে হয়। কিন্তু আমরা প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ছয় দফা আদায় করবই।”

জামায়াতের নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবির নতুন করে কোনো তাণ্ডব যাতে চালাতে না পারে, সে জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান ইমরান এইচ সরকার।

এদিকে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী শিশিরের ওপর হামলা, কয়েকজন কর্মী ও সংগঠকের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে আরেকটি অংশ। বিকেল চারটার দিকে শুরু হওয়া মিছিলটি শাহবাগ থেকে চারুকলা হয়ে আবারও শাহবাগে এসে শেষ হয়।

মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ওই অংশের মুখপাত্র কামাল পাশা চৌধুরী বলেন, “পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার আমাদের মূল কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থেকেছি। এ মিছিলের মাধ্যমে আমরা অন্যান্য রাজাকারের ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি। যত দিন পর্যন্ত দেশে একজনও রাজাকার থাকবে, তত দিন আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।”

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর