,

দৌলতদিয়ায় বন্ধ সবকটি ফেরিঘাট, জনদুর্ভোগ চরমে

News

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বারখ্যাত দৌলতদিয়া ঘাটে তীব্র নদী ভাঙনের ফলে ৪টি ফেরিঘাটই বন্ধ রয়েছে। এতে ঘাটের সড়কের উভয় পাশে সহস্রাধিক যানবাহন আটকে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রী ও গাড়ি চালকরা।

গত কয়েকদিনে দৌলতদিয়ায় ১, ২ ও ৪নং ফেরিঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ৩নং ফেরিঘাট টি ভাঙনের কারণে রোববার সকাল ৯ টার দিকে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট সম্পূর্ণরুপে ফেরী চলাচল বন্ধ হয়ে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে সড়কের উভয় পাশে আটকে আছে পরিবহন, যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, পন্যবাহী ট্রাকসহ সহস্রাধিক যানবহন।

আটকা পড়া পরিবহন গাড়ির যাত্রীরা গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে লঞ্চ ও ফেরিঘাটে গিয়ে বিকল্পভাবে নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে দীর্ঘ ৭ দিন অবস্থানের পরেও মালভর্তি ট্রাক নিয়ে নদী পার হতে না পেরে হতাশায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। এদের মধ্যে কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

সবকটি ফেরিঘাট বন্ধ থাকায় ইতিমধ্যে রাজবাড়ী জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের বিকল্প পথে অথবা যমুনা সেতু দিয়ে গন্তব্যে যাবার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থার (বিআইডাব্লিউটিসি) এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ‘আমরা গত মার্চ মাস থেকে ঘাট রক্ষার জন্য কাজ করে চলেছি। কিন্তু তীব্র স্রোতে ভাঙনের কারণে আমরা কাজ করে এগোতে পারিনি। তবে আশাকরি খুব শীঘ্রই ৩ ও ৪নং ফেরি ঘাট সচল করতে পারবো।

বিআইডাব্লিউটিসি-এর দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মা নদীতে বেশ কয়েকদিন ধরে বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদী ভাঙন ও তীব্র স্রোতের মাত্রা বেড়ে গত এক সাপ্তাহ ধরে দৌলতদিয়া ঘাটে অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি-এর পক্ষ থেকে ফেরিঘাট সচল করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম।

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর