,

সর্বশেষ :
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে রাজবাড়ী-১ আসন পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবো : অ্যাড. খালেক রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী অ্যাড. আসলাম মিয়ার গণসংযোগ রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য আ’লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন ইমদাদুল হক বিশ্বাস রাজবাড়ীতে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন রাজবাড়ীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য আ’লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন আশরাফুল ইসলাম রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরম নিলেন মিল্টন প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে শান্তি পৌঁছে দেওয়া হবে : রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার রাজবাড়ীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চরমপন্থি নেতা নিহত রাজবাড়ীতে বিএনপি’র ২৭ নেতাকর্মী কারাগারে

ছেলের খুনির প্রাণ বাঁচল মায়ের ক্ষমায় !

News

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চোখ বেঁধে তাঁকে দাঁড় করানো হয়েছে ফাঁসির বেদিতে, গলায় ঝোলানো  হয়েছে ফাঁসির দড়ি। ‘মা’ আর সইতে পারলেন না, দ্রুত গিয়ে ‘ছেলেকে’ চড় মেরে ভেঙে পড়লেন কান্নায়, ‘বাবা’ খুলে দিলেন ফাঁসির দড়ি। প্রাণে বেঁচে গেলেন ২৭ বছরের বেলাল। সামনে অপেক্ষমাণ জনতার মধ্যে যেন ছড়িয়ে গেল মায়ের বুকে জমে থাকা বোবাকান্নার ঢেউ। এক মা এভাবেই বাঁচালেন তাঁর নিজের ছেলের খুনিকে। দেশের আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে ফাঁসি কার্যকরের সময় সম্প্রতি বিরল এই ক্ষমাশীলতার ঘটনা ঘটেছে ইরানে। দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।

জানা যায়, সাত বছর আগে ২০ বছর বয়সী বেলাল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে ছুরির আঘাতে কেড়ে নিয়েছিলেন ১৮ বছর বয়সী আবদুল্লাহ হোসেনজাদেহর প্রাণ। ইরানের মাজানদারান প্রদেশের ছোট্ট শহর রোয়ানে এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়। পুলিশের হাতে ধরা পড়েন বেলাল। বিচার শুরু হয় তাঁর। অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় ফাঁসির রায় হয় তাঁর। দেশের আইন অনুযায়ী ফাঁসি হবে প্রকাশ্য এবং ফাঁসি কার্যকরের ঘটনায় অংশ নিতে হবে নিহতের পরিবারকেও।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বেলালকে চোখ বাঁধা অবস্থায় গলায় ফাঁসির দড়ি পরানোর পর কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আবদুল্লাহ পরিবারের কাউকে গিয়ে তাঁর পায়ের নিচ থেকে চেয়ারটা সরিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকের তোলা ছবি ও বর্ণনায় দেখা যায়, ঠিক এ সময় ফাঁসি-কাষ্ঠের দিকে এগিয়ে যান নিহত আবদুল্লাহর মা। তিনি গিয়ে ছেলের খুনি বেলালকে একটা চড় মেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। আর পেছনে দাঁড়ানো আবদুল্লাহর বাবা ছেলের খুনির গলা থেকে খুলে নেন ফাঁসির দড়ি।

ছেলের খুনিকে ক্ষমা করে নিহত আবদুল্লাহর মা যখন নেমে আসছেন ফাঁসির বেদি থেকে, তখন বেলালের মা এগিয়ে এসে জড়িয়ে ধরলেন তাঁকে। এক মা কাঁদলেন ছেলে হারানোর বেদনায়, আরেক মা কাঁদলেন ছেলের প্রাণ বেঁচে যাওয়ায়। কিন্তু পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে এই দুই মায়ের কান্না কি বুঝতে পেরেছে সবাই! একজন মা কোন বোধে প্রাণের কোন তাড়নায় নিজের ছেলের খুনিকেও ক্ষমা করে দিতে পারেন, সেই প্রশ্নের উত্তর না মিললেও দুই মায়ের কান্না একটা ঢেউয়ের মতোই ছড়িয়ে পড়েছিল ফাঁসি দেখতে আসা শত মানুষের মধ্যে।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর