,

সর্বশেষ :
সাবেক সচিব ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান বজলুল করিম ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত রাতের আঁধারে দরিদ্রদের বাড়ি বাড়ি ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দিলো ‘মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ মন্দিরের সামনে গাঁজা খেতে নিষেধ করায় প্রতিমা ভাংচুর বড় ধরণের করোনা ঝুঁকিতে রাজবাড়ী বালিয়াকান্দির নবাবপুর ইউনিয়নের ১১০০ হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ বসন্তপুর ইউনিয়নের ৮০০ হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ হতদরিদ্রদের বাড়ি বাড়ি ঈদের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন প্রবাসীরা করোনা উপসর্গ নিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু, দুই বাড়ি লকডাউন করলেন এসিল্যান্ড রাজবাড়ীর করোনা যোদ্ধা চিকিৎসকদের N95 মাস্ক দিলেন সাবেক জেলা জজ ‘আসমা আসাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ

রাজবাড়ীতে জলমহাল থেকে অবৈধভাবে প্রতিদিন অর্ধলক্ষ টাকার মাছ নিধন

News

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজবাড়ী সদর ও কালুখালী উপজেলার পদ্মা নদীর গৌতমপুর মৌজা থেকে জৌকুড়া পর্যন্ত সরকারী লীজকৃত জলমহাল থেকে প্রতি দিনে-রাতে অবৈধভাবে মাছ মারছেন জেলেরা। ফলে প্রতিদিন প্রায় ৫০হাজার টাকা লোকসানের সম্মুনি হচ্ছেন ইজারাদার হাটবাড়ীয়া গ্রামের আল আমিন। বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের দরজার কড়া নেড়ে প্রতিকার না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

খানগঞ্জ ও চন্দনী মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির লিঃ এর সভাপতি তিগ্রস্ত আল আমিন জানান, তিনি ১লক্ষ ১৫হাজার ২০০টাকা প্রদান করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গত ১৭ এপ্রিল রাজবাড়ী সদর ও কালুখালী উপজেলার পদ্মা নদীর গৌতমপুর মৌজা থেকে জৌকুড়া পর্যন্ত জলমহাল ইজারা নিয়ে মৎস্য সংরণ করেন। কিন্তু ইজারা না পেয়ে প্রভাবশালী মহলের ইশারায় গঙ্গানন্দপুর গ্রামের ওমর আলী, রাজীব মন্ডল, সাইদ, জিন্নাহ, আঃ লতিফ, আকমল, মোক্তার মন্ডল, মোক্তার ফকির, বিশু মন্ডল, এলেম মন্ডল, কুদ্দুস মন্ডল, রতনদিয়া গ্রামের কাশিনাথ হলদার, নিরঞ্জন হলদার, বিল্টু হলদার ও রুপসা গ্রামের হোসেন আলীসহ অজ্ঞাত ২০/২৫জন প্রতিদিন ট্রলারযোগে নদীতে জাল ফেলে জোর প্রয়োগ করে মাছ মেরে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ১৪৪ধারাসহ আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন কিন্তু মাছ মারা বন্ধ হচ্ছে না। ধারাবাহিকভাবে তারা অবৈধভাবে তার লীজকৃত জলমহাল থেকে মাছ মেরে নিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিকার চেয়েও তার জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধ হচ্ছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জলমহালের রুপসা এলাকা অবৈধভাবে মাছ মারছে জেলেরা। তাদের সাথে কথা হলে তারা অবৈধভাবে মাছ মারছেন বলে স্বীকারও করেন। তাদের মধ্যে এলেম নামের এক জেলে জানান, তারা ১২টি ট্রলারে প্রতিদিন ওই জলমহাল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মেরে বিক্রি করেন। কিন্তু তারা কাউকে কোন টাকা দেন না।

তিনি আরো বলেন, ইজারাদার আল আমিনকে টাকা দিয়ে বৈধভাবে ১৮টি ট্রলারের মাছ মারে অন্য জেলেরা। কিন্তু আমরা কাউকে টাকা দিই না। আমাদের এলাকার ইজারা বঞ্চিত প্রভাবশালীদের হুকুমে আমরা এই জলমহাল থেকে মাছ মারি।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তইজারাদার আল আমিন।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর