,

সর্বশেষ :
শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে কলাগাছের স্মৃতির মিনার রাজবাড়ীতে বই মেলা শুরু রাজবাড়ীতে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ট্রাষ্টি বোর্ডকে আরও ৮ লাখ টাকা দিলেন ডা. আবুল হোসেন বালিয়াকান্দিতে শিশু ছাত্রীদের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার রাজবাড়ীতে ১৫ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক রাজবাড়ীতে কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজমিস্ত্রী আটক এক যুগ ধরে চিকিৎসাসেবার নামে প্রতারণা করে আসছেন রাজবাড়ীর পচা কর্মকার! সেদিন রোদ্দুর হয়নি বলেই আজ বৃষ্টি হলো… এহসান কলিন্স শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনসভায় ফয়সাল সরদারের নেতৃত্বে লক্ষীকোলের ৫ শতাধিক নারী-পুরুষ

রাজবাড়ীতে জলমহাল থেকে অবৈধভাবে প্রতিদিন অর্ধলক্ষ টাকার মাছ নিধন

News

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজবাড়ী সদর ও কালুখালী উপজেলার পদ্মা নদীর গৌতমপুর মৌজা থেকে জৌকুড়া পর্যন্ত সরকারী লীজকৃত জলমহাল থেকে প্রতি দিনে-রাতে অবৈধভাবে মাছ মারছেন জেলেরা। ফলে প্রতিদিন প্রায় ৫০হাজার টাকা লোকসানের সম্মুনি হচ্ছেন ইজারাদার হাটবাড়ীয়া গ্রামের আল আমিন। বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের দরজার কড়া নেড়ে প্রতিকার না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

খানগঞ্জ ও চন্দনী মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির লিঃ এর সভাপতি তিগ্রস্ত আল আমিন জানান, তিনি ১লক্ষ ১৫হাজার ২০০টাকা প্রদান করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গত ১৭ এপ্রিল রাজবাড়ী সদর ও কালুখালী উপজেলার পদ্মা নদীর গৌতমপুর মৌজা থেকে জৌকুড়া পর্যন্ত জলমহাল ইজারা নিয়ে মৎস্য সংরণ করেন। কিন্তু ইজারা না পেয়ে প্রভাবশালী মহলের ইশারায় গঙ্গানন্দপুর গ্রামের ওমর আলী, রাজীব মন্ডল, সাইদ, জিন্নাহ, আঃ লতিফ, আকমল, মোক্তার মন্ডল, মোক্তার ফকির, বিশু মন্ডল, এলেম মন্ডল, কুদ্দুস মন্ডল, রতনদিয়া গ্রামের কাশিনাথ হলদার, নিরঞ্জন হলদার, বিল্টু হলদার ও রুপসা গ্রামের হোসেন আলীসহ অজ্ঞাত ২০/২৫জন প্রতিদিন ট্রলারযোগে নদীতে জাল ফেলে জোর প্রয়োগ করে মাছ মেরে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ১৪৪ধারাসহ আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন কিন্তু মাছ মারা বন্ধ হচ্ছে না। ধারাবাহিকভাবে তারা অবৈধভাবে তার লীজকৃত জলমহাল থেকে মাছ মেরে নিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিকার চেয়েও তার জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধ হচ্ছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জলমহালের রুপসা এলাকা অবৈধভাবে মাছ মারছে জেলেরা। তাদের সাথে কথা হলে তারা অবৈধভাবে মাছ মারছেন বলে স্বীকারও করেন। তাদের মধ্যে এলেম নামের এক জেলে জানান, তারা ১২টি ট্রলারে প্রতিদিন ওই জলমহাল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মেরে বিক্রি করেন। কিন্তু তারা কাউকে কোন টাকা দেন না।

তিনি আরো বলেন, ইজারাদার আল আমিনকে টাকা দিয়ে বৈধভাবে ১৮টি ট্রলারের মাছ মারে অন্য জেলেরা। কিন্তু আমরা কাউকে টাকা দিই না। আমাদের এলাকার ইজারা বঞ্চিত প্রভাবশালীদের হুকুমে আমরা এই জলমহাল থেকে মাছ মারি।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তইজারাদার আল আমিন।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর