,

সর্বশেষ :
শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে কলাগাছের স্মৃতির মিনার রাজবাড়ীতে বই মেলা শুরু রাজবাড়ীতে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ট্রাষ্টি বোর্ডকে আরও ৮ লাখ টাকা দিলেন ডা. আবুল হোসেন বালিয়াকান্দিতে শিশু ছাত্রীদের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার রাজবাড়ীতে ১৫ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক রাজবাড়ীতে কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজমিস্ত্রী আটক এক যুগ ধরে চিকিৎসাসেবার নামে প্রতারণা করে আসছেন রাজবাড়ীর পচা কর্মকার! সেদিন রোদ্দুর হয়নি বলেই আজ বৃষ্টি হলো… এহসান কলিন্স শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনসভায় ফয়সাল সরদারের নেতৃত্বে লক্ষীকোলের ৫ শতাধিক নারী-পুরুষ

স্কুলগামী শিশুদের প্রায় ৭৭ ভাগ পর্নোগ্রাফি দেখে

News

রাজবাড়ী নিউজ ডেস্ক : বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন বলছে, ঢাকায় স্কুলগামী শিশুদের প্রায় ৭৭ ভাগ পর্নোগ্রাফি দেখে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেশে তৈরি এই পর্ণোগ্রাফিগুলোতে যাদের ভিডিও দেখানো হচ্ছে, তাদের বয়স ১৮–এর কম।

শনিবার (১ অক্টোবর) ‌মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন জাতীয় প্রেসক্লাবে ‌‌‌‌‌বাংলাদেশ শিশু পরিস্থিতি, সংবাদপত্র বিশ্লেষণ ও বিশেষজ্ঞ অভিমত উপস্থাপন করে।

সংস্থাটির শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‌ঢাকার ৫০০ স্কুলগামী শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ ভাগ শিশু নিয়মিত পর্নোগ্রাফি দেখছে। তারা সুস্থ যৌন শিক্ষার বিপরীতে একটি বিকৃত যৌন শিক্ষার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পর্কিত দুই শ শব্দের ওপর সংরক্ষণ দেওয়া আছে। কেউ ওই শব্দগুলো লিখে ‌সার্চ দিলে সার্ভারে নোটিফিকেশন যায়। অনুমোদন ছাড়া ওই সব সাইটে ঢোকা যায় না। বাংলাদেশেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের গবেষণাটি বলছে, চারটি পদ্ধতিতে অশ্লীল ভিডিও তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে তৈরি পর্নোগ্রাফির চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে ঘিরে তৈরি পর্নো ভিডিও মানুষ বেশি দেখছে। এই ভিডিওগুলোতে ১৮ বছরের কম বয়সী স্কুল–কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দেখা যাচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম নিবন্ধন করা নিষিদ্ধ। তার অর্থ ১৮ বছরের নিচে মুঠোফোন ব্যবহার করতে হলে শিশুকে অভিভাবকের নামে নিবন্ধন করা সিম ব্যবহার করতে হবে। অভিভাবকেরা শিশুদের দামি মুঠোফোন, ট্যাব ও সেগুলোয় ইন্টারনেট সংযোগ দিচ্ছেন, কিন্তু তারা কী কাজে এগুলো ব্যবহার করছে, সে সম্পর্কে খোঁজখবর করছেন না। এদিকে নজর দেওয়া জরুরি।

সবচেয়ে বেশি শিশুর মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনায় : মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মূলধারার ছয়টি দৈনিক পর্যালোচনা করে শিশু পরিস্থিতি তুলে ধরে।

পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গত দুই বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা এখন পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৪ সালে সংবাদপত্রগুলোর খবর অনুযায়ী ৩৭৮টি দুর্ঘটনায় ৫১৭টি শিশু মারা গেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৩২৫। সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে মূলত ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোয়। অন্যদিকে, গত বছর পানিতে ডুবে মারা যায় ২৯৬ শিশু।

বছরজুড়ে শিশুদের নিয়ে শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য, যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা, হত্যা, অপহরণ, অপহরণের চেষ্টা, বাল্যবিবাহ, নির্যাতন ইত্যাদি খবর ছাপা হয়।

এই সময়ে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে পরীক্ষায় ভালো ফল, শিশুদের বিভিন্ন সুযোগ ও সেবা পাওয়ার খবরও ছাপা হয়েছে।

তবে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, ‌‌২০১৫ সাল শিশুদের জন্য ভয়াবহ একটি বছর।

 (সূত্র – প্রথম আলো)

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর