,

রাজবাড়ীর বেজকোলা শিকদার পাড়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে শত তম দুর্গাপূজা

News

শিহাবুর রহমান॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের বেজকোলা শিকদার পাড়া সার্বজনীন পূর্জা মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে একশতম দুর্গাপূজা। আর এ একশতম দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দিরটিতে প্রতিদিনই থাকছে নানা আয়োজন। এসব আয়োজনের মধ্যে রয়েছে হাড়িভাঙ্গা প্রতিযোগিতা, কৌতুক, মোরগ লড়াই, বাজনার তালে তালে মহিলাদের বল খেলা, মুচি বানানো প্রতিযোগিতা, শৈলতে প্রতিযোগিতা, আরতী প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এসব প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যেও দেয়া হচ্ছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের ভীড়। রোববার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজায় এমন দৃশ্যই দেখা গেছে। তবে মন্দিরটির শ্রী আরো বৃদ্ধি করা দরকার বলে মনে করেন আগত দর্শনার্থী ও পূজারীরা। সেজন্য তারা সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করেন।

এ সময় মন্দির কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুরেশ চন্দ্র শিকদার, সাধারণ সম্পাদক শরজিৎ শিকদার, উপদেষ্টা, প্রদ্যুৎ কুমার শিকদার, সুশান্ত কুমার শিকদার, সমর শিকদার, রতন শিকদার, নিতিশ চন্দ্র ও তপন কুমার শিকদার উপস্থিত ছিলেন।

মন্দিরটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুরেশ চন্দ্র শিকদার জানান, ১৯১৭সালে এলাকার জগেন্দ্র নাথ শিকদার, দূর্লভ চন্দ্র শিকদার, রাধা চন্দ্র শিকদার, অভয় চরণ ও সুরেন্দ্র শিকদারের উদ্যোগে রুপচাঁদ শিকদারের বাড়ীতে এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠাতা করা হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত মন্দিরটিতে প্রতিবছর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি শুধু মন্দিরই নয়। ১৯৩৬ সালে সুরেন্দ্র শিকদার এলাকবাসীর সহযোগিতায় এই মন্দিরেই বেসকোলা প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলেন। দীর্ঘ ১০বছর এ মন্দিরেই স্কুলটির শিা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে স্কুলটি জাতীয়করণ হলে বেসকোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নাম হয় এবং অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়। নানা প্রতিকুলতার মধ্য দিয়েও মন্দিরটিতে প্রতিবছরই দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

তিনি আরো জানান, সেই ১৯১৭ সাল থেকে শুরু করে আজ ২০১৬ সাল। মাঝখানে চলে গেছে ১০০বছর। কিন্ত মন্দিরটিতে এখনো কোন আধুনিকের ছোঁয়া লাগেনি। পূজার সময় সরকারীভাবে ৫০০ কেজি চাল ছাড়া তারা আর কোন সহযোগিতা পান না। তাই তিনি মন্দিরটি আধুনিকায়ন করার জন্য রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর