রাজবাড়ীতে কর্মবিরতি পালন করছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জাগণ

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ ,৮ নভেম্বর, ২০১৬ | আপডেট: ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ ,৮ নভেম্বর, ২০১৬
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার॥ বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুক্তিভিত্তিক মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জারদের পুনঃনিয়োগ ও কর্মী ছাটাই বন্ধের দাবিতে রাজবাড়ীতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জারগণ।

সোমবার (৭ নভেম্বর) সকাল থেকে রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুত সমিতির মিটার রিডার-ম্যাসেঞ্জার ঐক্যপরিষদ লীগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার সাইফুজ্জামান সবুজ, শফিকুল ইসলাম মানিক, আবু সাঈদ, উজ্জল হোসেন, ফারুক হোসেন, সোহেল মাহমুদ, আবুল বাশার, মাহমুদুর রহমান ও আবু জাফর।

বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে আজ প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে গেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ঘরে ঘরে বিদ্যুতের মিটার লাগালেও চুক্তি না করে গণহারে রিডার ও ম্যাসেঞ্জারদের ছাটাই করা হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একই সমিতিতে ৯ বছর চাকরি করার পর অভিজ্ঞতার আলোকে অন্য সমিতিতে আবেদনের মাধ্যমে পরীক্ষা ছাড়াই ৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ও মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মিটার রিডিং ও বিল বিতরণ সম্পর্কে জানাযায় মতামতের উপর ভিত্তি করে ১৫ টি কর্মদিবসে বর্তমান সিডিউল কাজ করা সম্ভব। সেই ধারনা থেকে ১ মাসে ৪হাজার মিটার রিডিং ও ৫হাজার বিল বিতরণের কাজ করা সম্ভব। আমাদের ১ মাসে কার্যদিবস ২১দিন। তাছাড়া ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ও মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ন্যায় বাংলাদেশে বাকি ৭৭টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিরি যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত পার্থক্য রয়েছে। যার দরুণ ৪ হাজার মিটার রিডিং ও ৫ হাজার বিল বিতরণ সম্ভব নয়। বিগত ২০১১ সালের প্রজ্ঞাপনে পূর্বে রিডিং ও বিল বিতরণ ছিলো ১৭শ এবং বর্তমানে রিডিং ও বিল বিতরণ ২ হাজার। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে অন্য কোন পদে এরকম দ্বিগুণ কাজে বাধ্য করা হয়নি। চুক্তিভিত্তিক মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার পদে এই কাজ জুলুম ও নির্যাতন।

বক্তারা আরও বলেন,  দীর্ঘ ৯ বছর চাকরি করার পর এবং যারা চাকরিতে আছেন তাদের প্রত্যেকের বয়সই ৩৫ বছরের উপরে। চাকরির বয়স না থাকায় জীবিকা নির্বাহের জন্য মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার পদে চাকরি ছাড়া আমাদের অন্য কোন উপায় নাই। তাই আমাদের চাকরির সাথে যুক্ত পারিবারিক বিষয়টি মানবিক দিক বিবেচনা করে ২০১১ সালের প্রজ্ঞাপনের মিটার রিডিং ও বিল বিতরণ বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের দাবি যতদিন না মানা হবে ততোদিন আমাদের এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচিতে রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুক্তিভিত্তিক ৮৭ জন মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার অংশগ্রহণ করেছেন।


এই নিউজটি 626 বার পড়া হয়েছে
[fbcomments"]