,

নৈশপ্রহরীর ধর্ষণে ১২বছরের শিশু গর্ভবতী

News

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের পুঁইজোর গ্রামে মাদরাসার নৈশপ্রহরীর ধর্ষণের শিকার হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রী (১২) গর্ভবতী হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত শুক্রবার বিকেলে আদালতে ২২ধারায় জবানবন্দী দেয় ওই ছাত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মামী বাদী হয়ে নৈশপ্রহরী মালেক খা’র (৫০) বিরুদ্ধে পাংশা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মালেক পুঁইজোর গ্রামের মৃত হাকিম খার ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার নৈশপ্রহরী।

ওই ছাত্রীর মামী জানান, তার ননদের মেয়ে পুঁইজোর গ্রামের একটি প্রাইমারী স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো। পুঁইজোর বাজারে মামার চায়ের দোকানে মাঝে মধ্যেই সহযোগিতা করতে যেত সে। সেখান থেকেই নৈশপ্রহরী মালেক খা তার ওপর কুদৃষ্টি দেন। ২০১৬সালের ২১ডিসেম্বর বিকেলে মালেক ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে ফুঁসলিয়ে মাদ্রাসায় তার থাকার রুমে নিয়ে যান। সেখানে মালেক তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে মালেক একইভাবে ফুঁসলিয়ে তাকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থা পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের কাছে বিষয়টি খুলে বলে ওই ছাত্রী। এ ঘটনার পর তাকে পাংশায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চেকআপ করানো হলে ৬মাসের গর্ভবতীর বিষয়টি ধরা পড়ে।

এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাংশা থানার এসআই মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, গত শুক্রবার সকালে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়।  পরীক্ষায় তার ৬মাসের গর্ভবতী হওয়ার তথ্য মিলেছে। এছাড়া একইদিন বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা হলে সে ২২ধারায় জবানবন্দী দেয়। একই সাথে ১৬৪ধারায় জবানবন্দী দেন আকাই নামে এক স্বাক্ষী।

তবে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে ধর্ষক মালেক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান এসআই মনিরুজ্জামান।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর