,

সর্বশেষ :
শহীদওহাবপুর ও খানখানাপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু ‘খানখানাপুর প্রবাসী কল্যাণ সংগঠন’-এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান সাবেক জেলা জজ শামসুল হক এর বড় সন্তান শামসুল আরেফিন করোনা পজেটিভ। ভাড়া বকেয়া : শিক্ষার্থীর মূল্যবান সার্টিফিকেট ভাগাড়ে ফেললেন বাড়িওয়ালা। বসন্তপুর ইউপির মেম্বার জানে আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রাজবাড়ীর বসন্তপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু দৌলতদিয়ায় যৌনকর্মী ও শিশুদের মধ্যে বিস্কুট বিতরণ রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার – Facebook Live রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার রাজবাড়ীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী দিলো পারলিন গ্রুপ

পাংশায় ‘টেন স্টার’ কৃষি খামারে গরু পালন হচ্ছে গৃহস্থালি যত্নে

News

পাংশা : গৃহস্থ বাড়ির মতো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু পালন করা হচ্ছে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ‘টেন স্টার’ কৃষি খামারে। খামারটিতে বিভিন্ন জাতের ৬০টি গরু রয়েছে। এসব গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কাঁচা ঘাস, খর, খৈল, ভুট্টা ভাঙা, গমের ভূমি ও ধানের কুড়াসহ নানা ধরণের প্রাকৃতিক খাবার। আসন্ন কোরবানির ঈদে বাজার ভাল থাকলে ও ভারত থেকে গরু আমদানী না করা হলে ভাল লাভের প্রত্যাশা করছেন খামারটির মালিকেরা।

জানা যায়, ২০১৬সালের এলাকার উঠতি ও মধ্য বয়সী দশজন বেকার ব্যক্তি ‘টেন স্টার’ নাম দিয়ে খামারটি গড়ে তোলেন। শুরুতে ১৫ টি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন তারা। বর্তমানে তাদের খামারে রয়েছে ৬০টি গরু। গরুগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশী, হরিয়ান, অস্টেলিয়া ও সিংদী। তাদের খামারে রয়েছে ৪৫ হাজার থেকে শুরু করে দুই লাখ টাকা মূল্যের গরু। গরুগুলো সার্বক্ষনিক পরিচর্যা করার জন্য রাখা হয়েছে বেতনভূক্ত কর্মচারী।

খামারটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুকুল ইসলাম বলেন, আমাদের খামারে কখনই গরু মোটাতাজাকরণের জন্য রাসায়নিক খাদ্য, স্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট ও ইনজেকশন ব্যবহার করা হয় না। প্রাকৃতিক খাদ্যেই আমরা গরু মোটাতাজাকরণ করি। এ জন্য আমরা দুই একর জমিতে নেপোলিয়ন ঘাস চাষ করেছি। সেই সাথে ভুট্টা, খর, খৈল, গমের ভূমি, ধানের কুড়াসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক খাবারও খাওয়ানো হয়।

খামারটিকে ঘিরে মালিকেরা অনেক স্বপ্ন দেখছেন। তাদের মাথায় রয়েছে নানা পরিকল্পনা। এসব পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে গরুর বিষ্ঠা থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা। এজন্য সরকারী সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

খামারটির ম্যানেজার বাবর আলী বিশ্বাস বলেন, কোন প্রকার ব্যাংক লোন ছাড়াই আমরা খামারটি গড়ে তুলেছি। নিজেরাই দিন রাত শ্রম দেই খামারের পিছনে। কিন্তু, এটি দেখভালের জন্য কখনো  উপজেলা প্রাণি সম্পদ থেকে কেউ আসেন না। কখনো যদি কোন গরু অসুস্থ হয় তখন প্রাণি সম্পদ কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা সেখানে গরু নিয়ে যেতে বলেন। আবার যদি আসেনও তাহলে তাদের মোটা অংকের ফি দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে আমরা গরুগুলো মোটা তাজাকরণ করছি। আমাদের খামার থেকেও গরু বিক্রি করা হবে। যদি কেউ ভাল উন্নত নির্ভেজাল গরু কোরবানি দিতে চান তাহলে আমাদের খামারে যোগাযোগ করার জন্য আহবান করছি।

পাংশা উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, মঙ্গলবার (১৫আগস্ট) দুপুরে আমি খামারটি পরির্শন করেছি। প্রাকৃতিক খাদ্যে গরু মোটা তাজাকরণ একটি ভাল উদ্যোগ। এই গরুর মাংস নির্ভেজাল। এ রকম খামার ওই এলাকায় আরো গড়ে উঠেছে। কোরবানির ঈদে গরুর বাজার ভাল থাকলে তারা লাভ করতে পারবেন।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর