,

কেকেএস বালিকা ভলিবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

News

রাজবাড়ী : কর্মজীবী কল্যাণ সংস্থার (কেকেএস) আয়োজনে, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) অর্থায়নে ও সোনালী অতীত ক্লাবের সহযোগীতায় রাজবাড়ী শহীদ খুশি রেলওয়ে ময়দানে তিনদিন ব্যাপী ‘কেকেএস বালিকা ভলিবল টুর্নামেন্ট-২০১৭’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭) ভলিবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সালমা বেগম-পিপিএম। এ সময় অনান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আসাদুজ্জামান, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাশার মিয়া।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর্মজীবী কল্যাণ সংস্থা কেকেএস এর নির্বাহী পরিচালক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকীর আব্দুল জব্বার।

ভলিবল টুর্নামেন্টটি ৮টি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলায় সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ বনাম কাজী হেদায়েত হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় লড়াই করে। খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয় কাজী হেদায়েত হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কেকেএস সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচির কর্মসূচি সংগঠক ফয়েজুল হক কল্লোল জানান, এই কর্মসূচিটি রাজবাড়ী জেলার তৃণমূল পর্যায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ক্লাব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সাথে নিয়ে বাস্তবায়ন হবে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক, সম্মাননা ও ঐতিহ্যবাহী মেলা থাকবে অনুষ্ঠানমালায়। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা কামনা করি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার সালমা বেগম-পিপিএম তার বক্তব্যে বলেন, এই খেলায় যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদের সবাইকে আমার আন্তরিক শুভে”চ্ছা। দুটি দল না হলে খেলা হয় না তাই একজনকে হারতেই হয়, তাই আরও ভাল ভাবে খেলে সামনে বিজয়ী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, কেকেএস এর এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে তার যে কার্যক্রম সারা রাজবাড়ীতে পরিচালিত হচ্ছে তা আমাদের অভিভুত করে। এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শিশুদের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দলীয়ভাবে যে কোন কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায় তা শেখতে পারে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকীর আব্দুল জব্বার বলেন, কেকেএস সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচির লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশু-কিশোর ও তরুনদের মননশীল ও সুকুমার বৃত্তির উন্নয়ন, সুসংস্কৃতি, প্রগতিশীলতা, ইতিবাচক ও উন্নত মূল্যবোধ, অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষা, সামাজিক চুক্তি সমূহের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ। এই কর্মসূচি রাজবাড়ী জেলার ৫ উপজেলার তৃনমূল পর্যায় বিভিন্ন স্কুল কলেজ, ক্লাব, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, সম্মাননা এবং মেলা এসব বিষয়ের উপর বছরব্যাপী নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে যাবে। আমরা রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন করে পরিচিতি ঘটাবো। সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত মুক্তিযুদ্ধের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী করে যাবো।

তিনি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের জন্যে এ জেলার সর্বস্তরের সুধীজন, সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেন। পরে খেলায় বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিরা।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর