,

সর্বশেষ :
রাজবাড়ী জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন রাজবাড়ীর ২ টি আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন খালেক-আসলাম-হারুন সুষ্ঠু নির্বাচন হলে রাজবাড়ী-১ আসন পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবো : অ্যাড. খালেক রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী অ্যাড. আসলাম মিয়ার গণসংযোগ রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য আ’লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন ইমদাদুল হক বিশ্বাস রাজবাড়ীতে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন রাজবাড়ীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য আ’লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন আশরাফুল ইসলাম রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরম নিলেন মিল্টন প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে শান্তি পৌঁছে দেওয়া হবে : রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ৩ মাস পর ২ জনের লাশ গোয়ালন্দে এনে দাফন

News

স্টাফ রিপোর্টার : সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার ৩ মাস পর রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ৪ জনের মধ্যে ২জন শ্রমিকের লাশ গত ২০ অক্টোবর রাতে দেশে এসেছে।

গতকাল ২১অক্টোবর দুপুরে জানাযার নামাজ শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অপর ২জনের লাশের অপেক্ষায় স্বজনরা এখনো প্রহর গুনছে।

দেশে আনা নিহত শ্রমিকরা হলেন ঃ গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের নাছের মাতুব্বার পাড়ার ওসমান খাঁর ছেলে কোব্বাত আলী খাঁ (২৪) ও দরাপেরডাঙ্গী গ্রামের অহেদ আলী বেপারীর ছেলে হুমায়ূন বেপারী(২৫)। তাদের লাশ বাড়িতে এসে পৌঁছালে শেষ বারের মত দেখার জন্য সেখানে শত শত মানুষ ভীড় করে। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

এখনও যে ২টি লাশ সৌদিতে রয়ে গেছে তারা হলো ঃ অহেদ আলী বেপারীর অপর ছেলে এরশাদ আলী বেপারী (৩০) এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চর দৌলতদিয়া আনছার মাঝির পাড়ার ছাহের মন্ডলের ছেলে মিরাজ মন্ডল (২২) ।

গত ২৮ জুলাই ভোরে সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় গোয়ালন্দ উপজেলার ২ সহোদরসহ এই ৪ জনের মৃত্যু হয়। একই সাথে ফরিদপুরের আরো ২জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এরা সকলেই নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতো বলে জানা গেছে।

নিহতদের পারিবারিক সুত্র জানায়, গত ২৮ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত নয়টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে সৌদি আরবের দাম্মাম শহর থেকে কাজে যোগ দেয়ার জন্য তারা আলজুময়ারা শহরে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে অপর একটি প্রাইভেট কারের সাথে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত গোয়ালন্দের ৪জনের মধ্যে ২জনের মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও আর্থিক ও প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রের অভাবে এখনো অপর ২জনের লাশ দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না। স্বজন হারানো পরিবারগুলো প্রিয়জনের মুখখানি শেষ বারের মত দেখার জন্য প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন।

উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ফকীর জানান, উপার্জনক্ষম স্বজনদের হারিয়ে পরিবারগুলো একেবারেই অসহায় হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনায় নিহত অপর ২ জনের লাশ ফিরিয়ে আনতে তিনি সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতার অনুরোধ জানান।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর