,

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত হলেন মুক্তিযোদ্ধা সহিদ উদ্দিন আহমেদ পনু

News

স্টাফ রিপোর্টার : রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, মানুষের ভালবাসা ও ফুলেল শ্রদ্ধায় পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন রাজবাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা  ও জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সহিদ উদ্দিন আহমেদ পনু।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বাদ জুমা রাজবাড়ী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নামাজে জানাজায় রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট এম.এ খালেক, রাজবাড়ী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি কাজী ইরাদত আলী ও সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আব্দুল জলিলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) আ.ন.ম আবুজর গিফারীর নেতৃত্বে জেলা পুলিশের একটি দল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদ উদ্দিন আহমেদ পনুর কফিনে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এরপর তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে সহিদ উদ্দিন আহমেদ পনুর মরদেহ জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সামনে নেওয়া হয়। সেখানে তার সহকর্মীগণ ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট সহিদ উদ্দিন আহমেদ পনু গত ৭ ডিসেম্বর দুপুরে  রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থান ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি—–রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সুত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত ১৩ নভেম্বর তিনি স্ট্রোক করলে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। প্রায় এক মাস সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর  ৭ ডিসেম্বর দুপুরে মারা যান তিনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদ উদ্দিন আহমেদ পনু ১৯৮০ সালের ১১ জুন রাজবাড়ী জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগদান করেন। তিনি একজন প্রতিবাদী আইনজীবী হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। ১৯৯৮ সালে তিনি জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। সব মহলেই তার গ্রহণযোগ্যতা ছিলো। বিশেষ করে শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। তার মৃত্যুতে সহকর্মী আইনজীবীগণসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর