,

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ রাজবাড়ী জেলাবাসীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ , জেলার নিহত ৫২ জনের স্বজনদের সনাক্তকরণ ও অনুদান প্রাপ্তিতে জেলা প্রশাসনের তৎপরতা

News

 রাজবাড়ি ডেস্ক  : :  রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহতের নিকট‌-স্বজনদের সনাক্তকরণ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে অনুদান প্রাপ্তিতে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের তৎপরতা এবং সহযোগিতায় রাজবাড়ী জেলার নিহত ৫২ জনের ৬৫ জন নিকট-স্বজন প্রত্যেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে অনুদান পেয়েছেন। 


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে অনুদানের চেক পেয়ে নিহতের নিকট-স্বজনেরাসহ রাজবাড়ীবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


বর্তমানে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গৌরিপুর নিবাসী নিহত সীমা খাতুনের মা সাজেদা বেগম বিদেশে থাকায় তাঁর অনুদানের ১ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক বর্তমানে বিতরণের অপেক্ষায় রয়েছে।
স্মরণ করা যেতে পারে- অনুদানের চেক বিতরণের তারিখ অবহিত হওয়ার সাথে সাথে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নিহতদের নিকট-স্বজনদের সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহো‌দয় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে জেলা সদরে এনে বিশেষ যানবাহনযোগে নির্ধারিত তারিখসমূহে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্বাবধাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে অনুদানের চেক গ্রহণে সহযোগিতা করায় তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


সর্বোপরি, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার অব্যাবহিত পর পরই সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয় রাজবাড়ী জেলা হতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রেরণ করে উদ্ধার তৎপরতায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।


রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহতের নিকট-স্বজনদের সনাক্তকরণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে নির্দেশনা প্রাপ্তির সাথে সাথে সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোল মহোদয় অধিক্ষেত্রাধীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের দিয়ে নিহতদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং সরেজমিনে তদন্ত করিয়ে নিহতদের নিকট স্বজনদের নাম-ঠিকানা, নিহতের সাথে সম্পর্ক এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।


রাজবাড়ীর সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়ের যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে ৫ দফায় রাজবাড়ী সদর উপজেলার ২১ জন, পাংশা উপজেলার ৯ জন, বালিয়াকান্দি উপজেলার ৩ জন, গোয়ালন্দ উপজেলার ১৪ জন এবং কালুখালী উপজেলার ৫ জন সর্বমোট নিহত ৫২ জনের ৬৫ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রথম দফায় গত ২২/৫/২০১৩ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ১০ জনের ১১ জন নিকট-স্বজনকে, গোয়ালন্দ উপজেলার নিহত ১২ জনের ১৪ জন নিকট-স্বজনকে, পাংশা উপজেলার নিহত ৪ জনের ৬ জন নিকট-স্বজনকে,বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জনের ১ জন নিকট-স্বজনকে এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ৩ জনের ৩ জন নিকট-স্বজন অর্থাৎ নিহত ৩০ জনের ৩৫ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক প্রদান করেন।


দ্বিতী‌য় দফায় গত ১৮/৬/২০১৩ খ্রিঃ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ৬ জনের ৯ জন নিকট-স্বজনকে, পাংশা উপজেলার নিহত ৩ জনের ৩ জন নিকট-স্বজনকে, বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে, গোয়ালন্দ উপজেলার নিহত ২ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ১ জনের ১ জন নিকট-স্বজন অর্থাৎ নিহত ১৩ জনের ১৭ জন নিকট-স্বজনকে অনুদাদের চেক প্রদান করেন।


তৃতীয় দফায় গত ২৪/৭/২০১৩ খ্রিঃ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে পাংশা উপজেলার নিহত ১ জনের ১ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক প্রদান করা হয়।
চতুর্থ দফায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রবিউল হাসান মারফত ১০ জনের নামে ইস্যুকৃত ১০ লক্ষ টাকার চেক সংগ্রহপূর্বক গত ৯/১/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ বিকাল ৩-০০ টায় সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অফিসকক্ষে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ৩ জনের ৫ জন নিকট-স্বজনকে, পাংশা উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে, বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ১ জনের মধ্যে ১ জনকে অর্থাৎ নিহত মোট ৬ জনের ১০ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।
পঞ্চম দফায় গত ১৬/৪/২০১৪ খ্রিঃ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক প্রদান করেন।


বর্তমানে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গৌরিপুর নিবাসী নিহত সীমা খাতুনের মা মোছাঃ সাজেদা খাতুন বিদেশে অবস্থানের কারণে তাঁর অনুদানের চেক বিতরণের অপেক্ষায় রয়েছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, রাজবাড়ী জেলার নিহত ৫২ জনের মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ৫ জন (তাসলিমা, আশা, সালমা, রেশমা ও সীমা খাতুন), পাংশা উপজেলার নিহত ২ জন (রিয়াজুল ও শাহজাহান), বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জন (রেহানা) এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ১ জন (জেসমিন) অর্থাৎ মোট ৯ জনের লাশ টেস্টের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়।


রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় রাজবাড়ী জেলার নিহত ৫২ জনের নিকট-স্বজনদের সনাক্তকরণ কার্যক্রম অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সম্পন্নকরণ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে অনুদানের চেক সংগ্রহে রাজবাড়ী জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোল মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নিহতের স্বজনসহ জেলাবাসীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহতের নিকট‌-স্বজনদের সনাক্তকরণ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে অনুদান প্রাপ্তিতে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের তৎপরতা এবং সহযোগিতায় রাজবাড়ী জেলার নিহত ৫২ জনের ৬৫ জন নিকট-স্বজন প্রত্যেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে অনুদান পেয়েছেন। 

10298869_678001668904431_8867235710262708951_n
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে অনুদানের চেক পেয়ে নিহতের নিকট-স্বজনেরাসহ রাজবাড়ীবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বর্তমানে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গৌরিপুর নিবাসী নিহত সীমা খাতুনের মা সাজেদা বেগম বিদেশে থাকায় তাঁর অনুদানের ১ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক বর্তমানে বিতরণের অপেক্ষায় রয়েছে।
স্মরণ করা যেতে পারে- অনুদানের চেক বিতরণের তারিখ অবহিত হওয়ার সাথে সাথে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নিহতদের নিকট-স্বজনদের সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহো‌দয় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে জেলা সদরে এনে বিশেষ যানবাহনযোগে নির্ধারিত তারিখসমূহে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্বাবধাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে অনুদানের চেক গ্রহণে সহযোগিতা করায় তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


সর্বোপরি, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার অব্যাবহিত পর পরই সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয় রাজবাড়ী জেলা হতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রেরণ করে উদ্ধার তৎপরতায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহতের নিকট-স্বজনদের সনাক্তকরণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে নির্দেশনা প্রাপ্তির সাথে সাথে সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোল মহোদয় অধিক্ষেত্রাধীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের দিয়ে নিহতদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং সরেজমিনে তদন্ত করিয়ে নিহতদের নিকট স্বজনদের নাম-ঠিকানা, নিহতের সাথে সম্পর্ক এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।

10259921_678001725571092_5907993215804064383_n
রাজবাড়ীর সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়ের যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে ৫ দফায় রাজবাড়ী সদর উপজেলার ২১ জন, পাংশা উপজেলার ৯ জন, বালিয়াকান্দি উপজেলার ৩ জন, গোয়ালন্দ উপজেলার ১৪ জন এবং কালুখালী উপজেলার ৫ জন সর্বমোট নিহত ৫২ জনের ৬৫ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রথম দফায় গত ২২/৫/২০১৩ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ১০ জনের ১১ জন নিকট-স্বজনকে, গোয়ালন্দ উপজেলার নিহত ১২ জনের ১৪ জন নিকট-স্বজনকে, পাংশা উপজেলার নিহত ৪ জনের ৬ জন নিকট-স্বজনকে,বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জনের ১ জন নিকট-স্বজনকে এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ৩ জনের ৩ জন নিকট-স্বজন অর্থাৎ নিহত ৩০ জনের ৩৫ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক প্রদান করেন।
দ্বিতী‌য় দফায় গত ১৮/৬/২০১৩ খ্রিঃ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ৬ জনের ৯ জন নিকট-স্বজনকে, পাংশা উপজেলার নিহত ৩ জনের ৩ জন নিকট-স্বজনকে, বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে, গোয়ালন্দ উপজেলার নিহত ২ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ১ জনের ১ জন নিকট-স্বজন অর্থাৎ নিহত ১৩ জনের ১৭ জন নিকট-স্বজনকে অনুদাদের চেক প্রদান করেন।

df
তৃতীয় দফায় গত ২৪/৭/২০১৩ খ্রিঃ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে পাংশা উপজেলার নিহত ১ জনের ১ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক প্রদান করা হয়।
চতুর্থ দফায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রবিউল হাসান মারফত ১০ জনের নামে ইস্যুকৃত ১০ লক্ষ টাকার চেক সংগ্রহপূর্বক গত ৯/১/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ বিকাল ৩-০০ টায় সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অফিসকক্ষে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ৩ জনের ৫ জন নিকট-স্বজনকে, পাংশা উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে, বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ১ জনের মধ্যে ১ জনকে অর্থাৎ নিহত মোট ৬ জনের ১০ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।
পঞ্চম দফায় গত ১৬/৪/২০১৪ খ্রিঃ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ১ জনের ২ জন নিকট-স্বজনকে অনুদানের চেক প্রদান করেন।


বর্তমানে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গৌরিপুর নিবাসী নিহত সীমা খাতুনের মা মোছাঃ সাজেদা খাতুন বিদেশে অবস্থানের কারণে তাঁর অনুদানের চেক বিতরণের অপেক্ষায় রয়েছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, রাজবাড়ী জেলার নিহত ৫২ জনের মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার নিহত ৫ জন (তাসলিমা, আশা, সালমা, রেশমা ও সীমা খাতুন), পাংশা উপজেলার নিহত ২ জন (রিয়াজুল ও শাহজাহান), বালিয়াকান্দি উপজেলার নিহত ১ জন (রেহানা) এবং কালুখালী উপজেলার নিহত ১ জন (জেসমিন) অর্থাৎ মোট ৯ জনের লাশ টেস্টের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়।


রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় রাজবাড়ী জেলার নিহত ৫২ জনের নিকট-স্বজনদের সনাক্তকরণ কার্যক্রম অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সম্পন্নকরণ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হতে অনুদানের চেক সংগ্রহে রাজবাড়ী জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোল মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নিহতের স্বজনসহ জেলাবাসীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছ

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০১৪/রাত -১১.১৫/ স্বপ্ন

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর