,

“লেক আইল্যান্ড ঢাকা” ; প্রকৃতির সান্নিধ্যে জীবনের স্পন্দনে…

News

“লেক আইল্যান্ড ঢাকা” ; প্রকৃতির সান্নিধ্যে জীবনের স্পন্দনে…

আপনিও হতে পারেন এই সুন্দর প্রকৃতির লাবণ্যে ভরা একটি আবাসন প্রকল্প’র মালিক।

ঢাকা শহরের পাশেই মিরপুর বেড়িবাঁধের সাথে বীরুলিয়া ইউনিয়নের সাদুল্লাহপুরে গড়ে উঠেছে “লেক আইল্যান্ড ঢাকা” এবং একটি আবাসন প্রকল্প ।

শহুরে যান্ত্রিক জীবন থেকে একটু বিশ্ৰামের জন্যে আমরা অনেক জায়গাতেই তো ঘুরতে যাই। তবে সবসময় দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে যেমন সময় লাগে তেমনি খরচও হয় বেশি। খরচের থেকেও সময় ম্যানেজ করাটাই হয়ে উঠে প্রধান প্রতিবন্ধকতা। তাই কম সময়ে কাছে কোথাও ঘুরে আসতে পারবেন এমন অনেক জায়গাই আছে ঢাকার আশে পাশে। তারমধ্যে সুন্দর ও মন ভালো করে দেবার মতো জায়গাটি হলো লেক আইল্যান্ড ঢাকা; একটি আবাসন প্রকল্প । যেটি ঢাকার মিরপুর বেড়িবাঁধের পাশেই বিরুলিয়ার সাদুল্লাহপুর এ অবস্থিত। বিশ্বাস রাখতে পারেন, এই একটি আবাসন প্রকল্প’টি  আপনার যান্ত্রিক জীবনের অনেকটা ক্লান্তিই দূর করে দিবে।

“লেক আইল্যান্ড ঢাকা” পুরো জায়গাটিই গোলাপের বিস্তীর্ণ। উঁচু জমিগুলো ছেঁয়ে আছে মিরান্ডি জাতের গোলাপে।লাল,হলুদ, সাদা – কত বর্ণের যে গোলাপ তার কোনো ইয়ত্তা নেই। যতদূর যাবেন চারপাশে গোলাপে আপনাকে মুগ্ধ করে রাখবে। সকালের শিশির ভেজা গোলাপে নরম আলোর ঝিকিমিকি। “লেক আইল্যান্ড ঢাকা” র একপাশে তীর তীর করে বয়ে গেছে আঁকা বাঁকা সরু নিটোল জলের লেক। তাইতো এটির নামকরণ হয়েছে “লেক আইল্যান্ড ঢাকা “।

এই নয়নাভিরাম বিস্তীর্ণ জায়গাটি চারিপাশে ঘেরা, প্রবেশ মুখেই বিশাল একটি গেট, তার উপরে লেখা ‘লেক আইল্যান্ড ঢাকা’।  ভিতরে ঢুকতেই খাঁচার মধ্যে দেখবেন বড় বড় কয়েকটি শেফার্ড, টার্কিশ, পাখির কিচির মিচির শব্দ। প্রথমেই দেখবেন লাল মাটি বেষ্টিত বিশাল গ্রিনফিল্ড। তারপর শুরু হলো গোলাপ আর গোলাপ।  গোলাপ বাগানের মাঝখানেই আপনার বসবার জন্যে ছোট ছোট খোলা কটেজ।

প্রতিদিন অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী ঘুরে বেড়াচ্ছেন এই জায়গাগুলোতে কারণ এটির পাশেই রয়েছে কয়েকটি স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটি -ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সন্নিকটে অবস্থিত। এটির পাশেই রয়েছে নেভাল হাউজিং সোসাইটি।

কিভাবে যাওয়া যায় লেক আইল্যান্ড ঢাকা :

বিভিন্ন রুটে যাওয়া যায় ওখানে।…

রুট ১: মিরপুর ১ থেকে বেড়িবাঁধ হয়ে বিরুলিয়া ব্রিজ, তারপর বিরুলিয়া ব্রিজ পার হয়ে ৫ মিনিট পর আক্রান বাজার , সেখান থেকেই হাতের বামেই চলে গিয়েছে সাদুল্লাহ্পুর “লেক আইল্যান্ড ঢাকা” -একটি গোলাপ দ্বীপ। বেড়িবাঁধ বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে ১০-১২ মিনিটেই পৌঁছে যাবেন লেক আইল্যান্ড ঢাকা তে।

রুট ২: টঙ্গী আব্দুল্লাহপুর থেকে সোজা বেড়িবাঁধ হয়ে বিরুলিয়া ব্রিজ ( প্রিয়াঙ্কা শুটিং সেন্টার ) , তারপর ঠিক একই রুট।

রুট ৩: উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, নর্থ টাওয়ার বা ম্যাসকট প্লাজা থেকে সোনারগাঁ জনপথ ধরে দিয়াবাড়ির প্রশস্ত রাস্তা দিয়ে বের হলেই মেট্রো রেল এর প্রারম্ভিক স্টেশন , আর তার বিপরীতেই বিরুলিয়া ব্রিজ। তারপর ঠিক একই রুট।

সমস্ত গোলাপ দ্বীপ ঘুরতে ঘুরতে দেখা হলো “লেক আইল্যান্ড ঢাকা’র” সেলস এন্ড মার্কেটিং ম্যানেজার ভাইয়ের সাথে। তখন একটু ক্লান্তই হয়ে ঢুকে পরলাম ছায়া ঘেরা তাদের একটি রেস্ট হাউজ এ ।  চা খেলাম, গল্প করলাম। তিনি আমাকে তাঁদের এই চমৎকার হাউজিং প্রজেক্টের সুপরিকল্পিত বর্ণনা দিলেন , চমৎকার একটি আবাসন গড়ে উঠবে এই গোলাপ দ্বীপটিতে।

 

তাঁদের পুরো প্রজেক্টের ডিটেইলস প্লানের একটি প্যাকেট দিলেন। আর নিচের ডিটেইলস টাই তুলে ধরলাম -“লেক আইল্যান্ড ঢাকা” – কেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে জীবনের স্পন্দন…? এই একটি গোলাপের দ্বীপ !

আবাসন চাহিদা মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশের জনসংখ্যা আয়তনের তুলনায় অনেকগুন বেশি হওয়াতে দিন দিন জমির উপর এই বর্ধিত জনগোষ্ঠীর চাপ বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে রাজধানী শহর ঢাকায় এই চাপের মাত্রা অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেকগুন বেশী, তাছাড়া প্রতিনিয়ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ার কারনে দিন দিন এর চাপ বেড়েই চলেছে ঢাকা শহরের উপর।

রাজধানীতে একখন্ড নিষ্কণ্টক জমি বা একটি স্থায়ী ঠিকানা আজ ঢাকাবাসী প্রতিটি পরিবারের স্বপ্ন। বাংলাদেশের মানুষের বিশেষ করে শহরকেন্দ্রিক জীবন যাপনের বড় সমস্যা হলো একখন্ড নিষ্কণ্টক, নির্ভেজাল জমি ও নিরাপদ এবং পরিকল্পিত বাসস্থানের অভাব। তাই ভবিষ্যতের স্বপ্নপূরণের জন্য সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের মৌলিক চাহিদা পুরনের লক্ষ্যে একখন্ড নিষ্কণ্টক, নির্ভেজাল জমিতে নিরাপদ ও পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে “এম এইচ গ্রুপ” এর আন্তরিক উপহার “লেক আইল্যান্ড – ঢাকা”।

বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশ রাজধানী ঢাকামুখী হওয়াতে ঢাকা ও এর আশপাশের বাসযোগ্য জমি হয়ে উঠেছে দুষ্প্রাপ্য। অদূর ভবিষ্যতে এ সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠবে বলে দেশবাসী বিশেষ করে ঢাকাবাসী আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ঢাকাসহ দেশের মানুষের এ প্রকট আবাসন সমস্যা ও চাহিদার কথা বিবেচনা করে উত্তরা তৃতীয় প্রকল্পের সন্নিকটে “এম এইচ গ্রুপ” গড়ে তুলেছে একটি অত্যাধুনিক আবাসিক প্রকল্প। যেখানে আছে প্রাকৃতিক লেক, পরিবেশ বান্ধব খোলামেলা অপরূপ সবুজ সৌন্দর্যে ঘেরা প্রতিবেশ। যেখানে আপনি আরো পাচ্ছেন আপনার সোনালী ভবিষ্যতের স্বপ্নপূরণের এক সুবর্ণ সুযোগ।

শুধু আকাশ ছোঁয়া স্বপ্নই নয় আপনার সাধ ও সাধ্যের কথা বিবেচনা করে প্রবাসীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে তুলনামূলক স্বল্প মূল্যে দীর্ঘ মেয়াদী কিস্তির সুবিধা নিয়ে আপনিও হতে পারেন লেক আইল্যান্ড- ঢাকা এর একটি বিশেষায়িত আকর্ষনীয় প্লটের গর্বিত মালিক।

উত্তরা তৃতীয় প্রকল্প এবং মিরপুর চিড়িয়াখানার সন্নিকটে প্রস্তাবিত ১৭০ ফুট ওয়েস্টার্ন বাইপাস সড়কের পাশে। প্রাকৃতিক ভাবে উঁচু, নিষ্কণ্টক, শিক্ষা পরিবেশ সমৃদ্ধ “লেক আইল্যান্ড – ঢাকা” -তে দীর্ঘ মেয়াদী কিস্তিতে ৩ – ১০ কাঠার প্লট বুকিং চলছে…

লেক আইল্যান্ড – ঢাকা এর সুবিধাসমুহঃ

*দীর্ঘ মেয়াদী কিস্তি সুবিধা।

*এককালীন মূল্য পরিশোধে সাফ কবলা রেজিস্ট্রেশন।

*৪০ ফুট, ২৫ ফুট ও ২০ ফুট প্রশস্ত অভ্যন্তরীন রাস্তা।

*গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিদ্যমান।

*সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

*প্রকল্প পরিদর্শনের ব্যবস্থা।

লেক আইল্যান্ড – ঢাকা এর বিশেষ বৈশিষ্টসমুহঃ

*বন্যা ও দুষণমুক্ত নির্মল পরিবেশ।

*প্রকল্পটি প্রাকৃতিক ভাবে উঁচু জমির উপর লোকালয়ে গড়ে উঠার কারনে এখনই বাড়ি করে বসবাসের উপযোগী।

*প্রকল্পটি উত্তরা তৃতীয় প্রকল্প, মেট্রোরেলের প্রারম্ভিক ষ্টেশন এবং মিরপুর থেকে মাত্র ৫ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত।

*প্রকল্পটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টাঃ ইউনিভার্সিটি এবং প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজ ও প্রকৌশল

  বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সন্নিকটে অবস্থিত।

*ভৌগোলিক ভাবে প্রকল্পটির অবস্থান এমন জায়গায় যেখান থেকে খুব সহজেই বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ স্থান যেমনঃ মিরপুর, উত্তরা, আশুলিয়া, গাবতলি, আমিনবাজার, সাভার, ঢাকা এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া যায়।

মনে রাখা ভালো, এটি এমন একটি জায়গা যেইখানে পুরো দোস্তর শহর হবার আগেই অনেকগুলো ওয়েল রেপুটেড ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস গড়ে উঠেছে। এটি এমন একটি জায়গা যেইখানে শুধুই আবাদি বলতে গোলাপ ই চাষ হয় !

চাইলে আপনিও হতে পারেন এমন নয়নাভিরাম গোলাপ দ্বীপের মালিক। যোগাযোগ করতে পারেন হট লাইন নম্বর এ : +৮৮ ০১৭৫৫ ৬৫৯৯৬৭ অথবা ওয়েব পেজ ও দেখতে পারেন-www.mhgroup.com.bd

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর