,

বেগম খালেদা জিয়া : গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অগ্রদূত

News

একজন মাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞেস করা হলো আপনার সামনে নিজেকে নিরাপদে রাখা বড় নাকি দেশ। তিনি উত্তরে বললেন দেশ। তারপর আবার তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনার সামনে আপনার সন্ত্মান বড় নাকি দেশ। তিনি এবারও বললেন দেশ। এরপর তার সন্ত্মানদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে মৃতু্যর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে তাকে আবার জিজ্ঞেস করা হলো আপনার কাছে আপনার সন্ত্মান বড় নাকি দেশ। তিনি নিঃসঙ্কোচ চিত্তে এবারও উত্তর দিলেন দেশ। এই মা-ই হলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার অতন্দ্র প্রহরী, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অগ্রদূত, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এই মহীয়সী রমণী, মা-মাটি ও মানুষের নেত্রীকে সর্বপ্রথম আমার সামনাসামনি দেখার ও কথা বলার সৌভাগ্য হয় ১৯৮৪ সালে। তখন আমি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। সিভিল সার্জন বাবার কর্মসূত্রে তখন আমরা পিরোজপুরে থাকি।

১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া বিএনপিতে আনুষ্ঠানিক যোগদানের পর বিএনপি পুনরম্নজ্জীবন লাভ করে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনিই সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই সময়ে এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে বেগবান করতে বেগম খালেদা জিয়া দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফর শুরম্ন করেন। এরই অংশ হিসেবে ১৯৮৪ সালে তিনি পিরোজপুরে সাংগঠনিক সফরে আসেন এবং সাবেক মন্ত্রী আফজাল সাহেবের বাসায় রাত্রিযাপন করেন। আফজাল সাহেবের বাসার ঠিক বিপরীত দিকে ছিল আমাদের বাসা। তিনি আমার মায়ের আত্মীয় ছিলেন। সেই সুবাদে সেদিন রাতে তার বাসায় আমাদের পরিবারের সবার ডিনারের দাওয়াত ছিল। আমার শরীর খারাপ থাকায় মা আর আমি যেতে পারলাম না। কিন্তু পরদিন সকাল ৯টায় ম্যাডাম যখন বাসা ছেড়ে চলে যাবেন ঠিক সেই সময় আমি তার সাদা করোলা গাড়িটির দরজা ধরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন ম্যাডাম বললেন, এই ছেলে সরো। কথার স্বর থামতে না থামতেই তিনি মায়াবী কণ্ঠে বললেন,’ কী নাম তোমার? কোন ক্লাসে পড়ো?’ আমি কোনো ভয় না পেয়ে উত্তর দিলাম। এরপর তিনি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। ম্যাডামের সঙ্গে এই আমার প্রথম কথা। সৌভাগ্যের বিষয় হলো আমার মায়ের নামও খালেদা। তাই আমি তাকে দ্বিতীয় মা বলতাম।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে শহীদ জিয়াউর রহমান যেমন সামরিক বাহিনী থেকে এসেও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন, ঠিক তেমনি বেগম খালেদা জিয়া এরশাদ অপহৃত গণতন্ত্র পুনরম্নদ্ধার করেন। বিগত ৩৬ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পুনরম্নদ্ধারের আন্দোলনে নিরলস নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তাই তিনি হয়ে দাঁড়িয়েছেন গণতন্ত্রের প্রতীক। বেগম খালেদা জিয়ার বিগত প্রায় চার দশকের রাজনীতিতে তিনি প্রতিবেশী বা কোনো পরাশক্তির সঙ্গে আপস করেননি। তাই বাংলাদেশের আপামর জনগণ তাকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বলেই বিশ্বাস করে। আর এ দুটো কারণেই বেগম খালেদা জিয়াকে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বেশি ভয়। তাই যে করেই হোক বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে হবে। হোক সেটা আইন আদালতের মারপঁ্যাচে কিংবা সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক দুরভিসন্ধির নানান ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতে।

হবর্তমান সরকারের রাজনৈতিক কর্মকা- দেখলে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয় যে, বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে প্রেরণ সরকারের একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি। রাজনৈতিক দূরদর্শিতাসম্পন্ন বেগম খালেদা জিয়া ভোটারবিহীন নির্বাচনে বিজয়ী জনবিচ্ছিন্ন এই অবৈধ সরকারের অশুভ উদ্দেশ্য পূর্ব থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন। বিস্ময়ের ব্যাপার বেগম খালেদা জিয়া এই বয়সে হায়নারূপী এই দানবীয় শক্তির শত নির্যাতন-নিপীড়নে মাথা নত না করে অনড়, সুদৃঢ় এবং অটল রয়েছেন। তিনি নিজে হেঁটে হেঁটে নিজেকে জেলে সমর্পণ করেছেন। বিচার পূর্ববর্তী সন্ধ্যায় এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘আমি যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আমাকে জেল বা সাজার ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। আমি মাথানত করব না। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি থেকে পিছু হটব না। আপনাদের খালেদা জিয়া কোনো অন্যায় করেনি। ন্যায়-বিচার হলে আমার কিছুই হবে না। আর যদি ক্ষমতাসীন মহলকে তুষ্ট করার জন্য রায় হয়, তা কলঙ্কের ইতিহাস হয়ে থাকবে। দেশবাসীকে ছেড়ে যাব না। আমি আপনাদের সঙ্গেই আছি, আপনাদের সঙ্গেই থাকবো।’ বিগত ৩৬ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া অনেকবার নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপন করা বিশেষ কারাগারে রাখা হয়। দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চালানো হয় ব্যাপক মানসিক নির্যাতন। কিন্তু তিনি দেশ ও দেশের জনগণকে ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নে বিন্দুমাত্র সহমত প্রকাশ করেননি। তিনি বলেছিলেন, ‘বিদেশে আমার কোনো স্থান নেই। আমি এ দেশেই জন্মেছি, এ দেশেই মরব।’ উলেস্নখ্য, ওই সময় অনুরূপ কারগারে ছিলেন শেখ হাসিনাও। পরে তিনি এক-এগারোর অবৈধ সরকারের সঙ্গে গোপন আঁতাতের মাধ্যমে কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষে মুক্ত হয়ে বিদেশ চলে যান। পরবর্তীতে এক-এগারোর সরকার কোনো প্রলোভন দেখিয়েই ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আপস করতে না পেরে শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের স্বার্থ সুরক্ষার দফারফা করে এক সূক্ষ্ণ কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাসীন করে। গণতন্ত্রের স্বার্থে তিনি সেই নির্বাচনকে মেনে নিয়ে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের জন্য নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু সরকার সেই সুযোগকে কাজে না লাগিয়ে প্রতিহিংসা চরিতার্থকরণের রাজনীতি শুরম্ন করে। বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার হীন মানসিকতা নিয়ে আঁটতে থাকে নানান ষড়যন্ত্রের ফাঁদ। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময়ও বেগম খালেদা জিয়া এভাবে এরশাদ ও শেখ হাসিনার যৌথ ষড়যন্ত্রের শিকারে হয়েছিলেন। বেশ কয়েকবার বেগম খালেদা জিয়া তখন আটক আদেশের সম্মুখীন হন। ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে এবং ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর তিনি আটক হন। ১৯৮৭ সালে হোটেল পূর্বাণীতে এক অনুষ্ঠান থেকে আটক করে আরও কয়েকজন নেতার সঙ্গে তাকে মতিঝিল থানায় নেয়া হয়। সে সময় পুলিশ তাকে জেলে পাঠায়নি। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের কিছু সময় তাকে এক রকম গৃহবন্দি করা হয়। আওয়ামী লীগ শাসনামলের বিগত এক দশকে তিনি সবচেয়ে বেশি নিগ্রহের সম্মুখীন হন। তাকে সেনানিবাসের বাসা থেকে অপমানজনকভাবে বিদায় করা হয়। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর গুলশানের বাসায় অবরম্নদ্ধ করে রাখা হয়। ওই সময় তার একটি জনসভায় বক্তৃতা দেয়ার কথা ছিল। ২০১৫ সালের ৫ তার গুলশান কার্যালয়ের দুই পাশে বালু বোঝাই ট্রাক রেখে তাকে কার্যত ৯৩ দিন গৃহবন্দি করে রাখা হয়। এভাবে তার বিরম্নদ্ধে অন্যায়-অত্যাচার লাগামহীনভাবে চলতেই থাকে। কিন্তু তিনি কখনো মাথা নত করেননি কোনো অশুভ শক্তির কাছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও দেশ রক্ষার আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সর্বদাই আপসহীন থেকেছেন।

‘কারাগার হলো রাজনীতিকদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়’- এই প্রবাদবাক্য দেশের কোন নেতার জীবনে কেমন প্রভাব ফেলেছে সে হিসেব অজানা হলেও ‘কারাগার’ যে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আলোকিত করেছে সেটা বোঝা যাচ্ছে। গত কয়েক বছর বিশ্বরাজনীতির খাতা থেকে অনেক দূরে থাকলেও কারাগারে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খালেদা জিয়ার নাম আন্ত্মর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। এখন আন্ত্মর্জাতিক মিডিয়াগুলোর গুরম্নত্বপূর্ণ খবর হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া।

কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন; কেউ পরিস্থিতি জানতে চান কেউবা ঘটনার ওপর রাখছেন তীক্ষ্ন দৃষ্টি। গোটা বিশ্বের দৃষ্টি যেন ঢাকায় বন্দি বেগম খালেদা জিয়ার ওপর। জাতিসংঘ বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারকে আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাজ্য গভীরভাবে মামলা পর্যবেক্ষণ করছে। ভারত খালেদা জিয়ার কারাবরণ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। ঢাকায় কর্মরত প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকরা নড়েচড়ে উঠেছেন। আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ঢাকায় কর্মরত নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ‘বন্দি খালেদা জিয়ার’ ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করছেন।

সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ হলো নির্বাচনের বছর। দেশ-বিদেশ তথা সর্বমহল চায় সব দলের অংশগ্রহণে হোক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত ও প্রহসনের নির্বাচনের পর যারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং যারা শুধু দেশের সঙ্গে দেশের সম্পর্ক রাখার স্বার্থে সম্পর্ক রেখেছেন তারাও চায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হোক। নির্বাচন কমিশন সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে অগ্রসর হচ্ছে। শেখ হাসিনাও ঘোষণা দিয়েছেন চলতি বছরের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। সবার প্রত্যাশা সব দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে; এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সে জন্য নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হতে হবে এ নির্বাচন। কিন্তু সে প্রত্যাশায় যেন গুড়ে বালি। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। অথচ নির্বাচনের বছর তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৫ বছরের সশ্রম কারাদ- হয়েছে। তবে দেশের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, জ্যেষ্ঠ নাগরিক, বাংলাদেশের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষকের স্ত্রী হিসেবে তাকে ‘সশ্রম’ কারাদ- না দিলেও পারতেন। জাতিসংঘসহ আন্ত্মর্জাতিক মহল যখন সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের ব্যাপারে তৎপর; প্রধান নির্বাচন কমিশনার যখন ‘বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়’ বলছেন; তখন আইনি মারপঁ্যাচে বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেয়ার অনিশ্চয়তা সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বেজায় খুশি। তারা এমন সব মন্ত্মব্য করছেন- বক্তব্য দিচ্ছেন যে বেগম জিয়া নির্বাচনে অযোগ্য হলে তারা যেন স্বর্গ জয় করে ফেলবেন। প্রশ্ন হলো- বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এটা এত দ্রম্নত নিশ্চিত হলেন কীভাবে? বাস্ত্মবতা কী বলে? বর্তমান সরকারে মন্ত্রিত্ব করছেন এমন তিনজন মন্ত্রী সর্বোচ্চ আদালতের সাজাপ্রাপ্ত। একজনের ১৩ বছরের সশ্রম কারাদ- হয়েছে। অন্য দুজনের কারাদ- ও অর্থদ- হয়েছে। দুজন এমপির কারাদ- হয়েছে। দ- নিয়েই তারা কেউ মন্ত্রিত্ব করছেন; কেউ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এসব নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক হচ্ছে।

দেশের সাধারণ মানুষ আজ অধীর আগ্রহ নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির পথ চেয়ে আছে। তাদের বিশ্বাস- তাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী আদালতের মাধ্যমে মুক্ত হয়ে গণতন্ত্রহীন এই সমাজে আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যেসব মা তাদের প্রিয় সন্ত্মানকে হারিয়েছেন, যেসব স্ত্রী তাদের স্বামীকে হারিয়ে বিধবা হয়েছেন, যেসব সন্ত্মান তাদের পিতাকে হারিয়ে এতিম হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া আবার গণতন্ত্র পুনরম্নদ্ধার করে তাদের জীবনে এনে দেবেন সৌষ্ঠব, মলিন ঠোঁটে ফোটাবেন লাবণ্য হাসি।

অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান: অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ ও সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর