,

রাজবাড়ীর ২ টি আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন খালেক-আসলাম-হারুন

News

রাজবাড়ী : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য বিএনপি থেকে মনোনয়ন পত্র কিনেছেন জেলা বিএনপির অন্যতম সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম.এ খালেক, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা নজির উদ্দিন আহমেদ এবং সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া।

আর রাজবাড়ী-২ আসনের জন্য মনোনয়ন পত্র কিনেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, সহ-সভাপতি ও বালিয়াকান্দির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম শওকত সিরাজ, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান ও সদস্য শাহ মো. রফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) মনোনয়ন পত্র কিনেন তারা। শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) তাদের পক্ষে মনোনয়ন পত্র দু’টি জমা দেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম.এ খালেদ পাভেল।

এ সময় জেলা বিএনপির উপদেষ্টা নজির উদ্দিন আহমেদ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি চাঁদ আলী খান, গোলাম শওকত সিরাজ, লুৎফর রহমান খান, দপ্তর সম্পাদক খোন্দকার নুরুল নেওয়াজ, যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট কে.এ বারী, গোলাম কাশেম, শাহ মোহাম্মদ আলমগীর, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউল হাসান আরিফ, মৎস বিষয়ক সম্পাদক মাসুদুর রহমান লাল, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শামসুল আলম, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহব্বত হোসেন খোকন, সহ-প্রচার সম্পাদক খায়রুল আলম, সহ-কোষাধ্যক্ষ আহসান হাবীব শাহিন, জেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি গোলাম মওলা, জেলা বিএনপির সদস্য শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম, বাহারান সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম.এ খালেদ পাভেল,  জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম পিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ, সহ-সভাপতি আব্দুর রব, দপ্তর সম্পাদক মোমিন মিয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান ঝন্টু, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান তোতা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামীম আহসান, তুহিনুর রহমান তুহিন, নাজমুস সাকিব, ছাত্রনেতা নাকিব আহসান নূর, রুবেল মাহমুদ, সবুজ সরদারসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির অন্যতম সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম.এ খালেক  বলেন, আমি এবং অ্যাডভাকেট আসলাম মিয়াসহ দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা এই পাঁচ বছরে কেন্দ্র ঘোষিত সকল প্রোগ্রাম সফল করেছি। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় কারাগারে আছেন। তার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কিন্তু রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দলীয় কোন প্রোগ্রাম করেননি এবং অংশও নেননি। তিনি যখন এমপি ছিলেন তখন বিএনপির কোন নেতাকর্মী তার কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা পাননি। সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির লোকজন। আমার এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়ার মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই। আমরা দু’জনই রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নের আবেদন ফরম কিনে জমা দিয়েছি। আমাদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন যেই পাক আমরা তার পক্ষে কাজ করবো। মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে রাজবাড়ী-১ আসনটি আমরা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবো ইন শা আল্লাহ্।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া বলেন, আমাদের দলের মধ্যে বিভাজন তৈরী করে রেখেছেন আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি ওয়ার্কার্স পার্টি করতেন। ওয়ার্কার্স পাটি করে তিনি ভুল করেছেন বলে বিএনপিতে এসেছিলেন। বিএনপিতে আসার পর তিনি পাঁচ বছর এমপি ছিলেন। আবার ১/১১ এর সময় বিএনপির দুঃসময়ে তিনি চলে গিয়েছিলেন সংস্কারপন্থী দলে। তিনি আবার ফিরে এসেছেন বিএনপিতে। আমার এবং অ্যাডভোকেট খালেক ভাইসহ বিএনপির ত্যাগী সকল নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য রয়েছে। আমাদের মধ্যে কাউকে যদি বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে রাজবাড়ীতে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর