,

সর্বশেষ :
রাজবাড়ীর জরিনা বেগমের চোখের অপারেশনের জন্য সাহায্যের আবেদন মেয়েকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির সময় ধরা পড়লো বাবা! বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশুদের সঙ্গে কেক কাটলেন রাজবাড়ীর এসপি রাজবাড়ী সদরে জনসমর্থনে এগিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ভিপি পিয়াল ৮ মাসেও গ্রেফতার হয়নি কলেজছাত্র রুমানের খুনিরা! ‘সচিব পরিচয়ে ফোন নম্বর সংগ্রহ, সর্বহারা পরিচয়ে চাঁদা দাবি’ রাজবাড়ীতে ৪ টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ২ চরমপন্থী নেতা গ্রেফতার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দমোড়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে ইয়াবাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী আটক রাজবাড়ীতে ১২% মূল্য ছাড়ে আইপিএস বিক্রি করছে ‘রানা ইলেকট্রনিক্স সার্ভিসিং সেন্টার’

রাজবাড়ীতে এতিমদের প্রতি সাহায্যের আবেদন

News

রাজবাড়ী : রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের বড় ভবানীপুর দেওয়ানপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসা, লিল্লাহ্ বোডিং ও এতিমখানার ২৫ জন শিক্ষার্থী মানবেতর জীবনযাপন করছে। সাহায্যের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটছে তাদের। ফলে সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগীতার জন্য আবেদন করেছে তারা।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক ডি.এম. ফাহিমুর রহমান জানান, ‘২০১৬ সালে তিনি নিজের ১০ শতাংশ জমি মাদরাসার নামে ওয়াক্ফ করে দেন (কোনো সম্পদকে মালিক নিজের মালিকানা থেকে মুক্ত করে আল্লাহর সম্পত্তি ঘোষণা করে আল্লাহর উদ্দেশে জনসেবার জন্য উৎসর্গীকৃত কাজটিকে ওয়াক্ফ বলা হয়)। এরপর তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সহযোগীতা নিয়ে একটি আধাপাকা চারচালা টিনের ঘর নির্মাণ করে মাদরাসার কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে মাদরাসাটিতে ২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। যাদেরমধ্যে ১৩ জন একদমই এতিম। তাদের দেখভালের মতো কেউ নেই। বাকী ১২ জনও একদম দরিদ্র পরিবারের। এদের মাসে ৫০০ টাকা করে বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও ঠিকমতো দিতে পারে না। ’

সাংবাদিক ডি.এম. ফাহিমুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটিতে নুরানী ও হেফজ বিভাগের পাশাপাশি বাংলা শিক্ষাদান করা হয়। ২৫ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে দু’জন শিক্ষক রয়েছেন। এদেরমধ্যে একজন ক্বারী ও একজন হাফেজ। তাদের দু’জনের মাসিক বেতন ১৬ হাজার টাকা। এছাড়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের রান্নার জন্য একজন লোক রয়েছে তার মাসিক বেতন চার হাজার টাকা। সব মিলিয়ে প্রতিমাসে এখানে প্রায় ৬০ হাজার টাকা ব্যায় হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগীতায় কোনওরকমে প্রতিষ্ঠানটি চলছে।  কিন্তু এ সাহায্য প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। যে কারণে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের সাহায্যের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগের যে ঘরটি রয়েছে সেখানে শিক্ষার্থীদের কষ্ট করে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। তাই সম্প্রতি বিভিন্নজনের সহযোগীতায় ও শিক্ষার্থীদের কালেকশনের টাকা দিয়ে মাদরাসার আরও ১৩ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে একটি নতুন ঘর। অর্থাভাবে ঘরটি এখনও সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। এছাড়া একটি নতুন বাথরুম নির্মাণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে থেমে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ কারণে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবানদের কাছে আমার আবেদন এতিম শিশুদের এই প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে তারা যেন একটু সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।’

শিক্ষার্থীরা জানায়, ‘রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে হাত পাততে তাদের অনেক খারাপ লাগে। এছাড়া কালেকশনে বের হলে তারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারেনা। তাই বিত্তবানদের সহযোগীতা পেলে তারা সঠিকভাবে দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজের উন্নয়নে অগ্রনী ভূমিকা রাখতে পারবে এবং কুসংস্কার ও ইসলামের অপব্যাখ্যা দূর করে ইসলামের সঠিক বাণী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারবে।’

রাজবাড়ী নিউজ২৪.কম/ আশিক

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর