,

সর্বশেষ :
রাজবাড়ীতে ৪৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা আটক গাড়ির কাগজ চুরি করে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করাই তার পেশা! গোয়ালন্দ মোড়ের জমজম আইসক্রিম কারখানাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দৌলতদিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবাসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার রাজবাড়ীতে অনুমোদনহীন কারখানায় রঙ ও কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে আইসক্রিম! ভেঙে ফেলা হচ্ছে রাজবাড়ীর দেড় শ’ বছরের নিদর্শন ‘লাল ভবন’ রাজবাড়ীতে স্কুলছাত্রীর নগ্ন ছবি ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি রাজবাড়ীতে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় লম্পট মিন্টু গ্রেফতার রাজবাড়ীতে লম্পটের ধর্ষণে প্রতিবন্ধী তরুণী অন্তঃসত্ত্বা রাজবাড়ীতে তামাকে ছড়াচ্ছে বিষ, উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলি জমি

ভেঙে ফেলা হচ্ছে রাজবাড়ীর দেড় শ’ বছরের নিদর্শন ‘লাল ভবন’

News

রাজবাড়ী : জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ‘লাল ভবনটি’ জেলার প্রায় দেড় শ’ বছরের ঐতিহ্যের নিদর্শন। সদর উপজেলার বাণীবহের জমিদার গিরিজা শংকর মজুমদার ও তার ভাই অভয় শংকর মজুমদার ১৮৭৮ সালে এ ভবনটি নির্মাণ করেন। ভবনটির প্রাচীন স্থাপত্য সৌন্দর্য যে কোন মানুষকে মুগ্ধ করবে। কিন্তু সম্প্রতি এ ভবনটি ভেঙে সেখানে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ৯ মে ভবনটি নিলামে বিক্রি করে বিক্রির টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর চিঠি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

এদিকে জেলার প্রায় দেড় শ’ বছরের ঐতিহ্যের নিদর্শন এ ভবনটি না ভেঙে তা প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষণের দাবি উঠেছে। এ দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরগরম হয়ে উঠেছেন রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ।

তবে জেলা প্রশাসক ও ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শওকত আলী জানালেন,‘লাল ভবনটি ভেঙে ফেলা ছাড়া বিকল্প কোন পথ খোলা নেই তাদের কাছে। কারণ ওই ভবনটি ভেঙে বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। কিন্তু, বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এটি না ভাঙলে নতুন ভবন নির্মাণ করা সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘এই ভবনটি মুঘল আমলের কোন নিদর্শন নয়। যে কারণে এটি সংরক্ষণ করা তেমন জরুরি নয়। আর এই ভবনটি এভাবে থাকায় এখানে মাদকসেবীরা আখড়া বানিয়েছে। অনৈতিক কার্যকলাপ করছে। এছাড়া ভবনটির কিছু অংশ ধ্বসে পড়ারও আশঙ্কা রয়েছে। যে কারণে এটি ভেঙে বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ করলেই রাজবাড়ী জেলাবাসী বেশি উপকৃত হবেন।’

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘এতো বছরেও লাল ভবনটি না ভেঙে বিদ্যালয় যেহেতু তার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পেরেছে। তাহলে এখনও পারবে। আর এই ভবনটি বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে যে সামান্য টাকা জমা হবে; সেই টাকার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভবনটি সংরক্ষণ করে জেলার প্রাচীন ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা।‘

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর