,

সর্বশেষ :
রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান সাবেক জেলা জজ শামসুল হক এর বড় সন্তান শামসুল আরেফিন করোনা পজেটিভ। ভাড়া বকেয়া : শিক্ষার্থীর মূল্যবান সার্টিফিকেট ভাগাড়ে ফেললেন বাড়িওয়ালা। বসন্তপুর ইউপির মেম্বার জানে আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রাজবাড়ীর বসন্তপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু দৌলতদিয়ায় যৌনকর্মী ও শিশুদের মধ্যে বিস্কুট বিতরণ রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার – Facebook Live রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার রাজবাড়ীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী দিলো পারলিন গ্রুপ সেই মেধাবী শিক্ষার্থী শিমলার পাশে ‘রাজবাড়ী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’ বালিয়াকান্দিতে অস্ত্র-গুলিসহ ডাকাত দলের সদস্য আটক

রাজবাড়ীর বসন্তপুরে মধ্যবয়সী নারীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

News

রাজবাড়ী : রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে মধ্যবয়সী এক নারীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সালাম সরদার (৪৮) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের ছাব্দুল সরদারের ছেলে।

এ মামলার অপর আসামি একই ইউনিয়নের মহারাজপুর গ্রামের ইউসুফ আলী শেখের ছেলে জিয়া শেখ (৩৮) পলাতক রয়েছে।

রাজবাড়ীর খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ও এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল ইসলাম জানান, বাজিতপুর গ্রামের মধ্যবয়সী এক নারী তাকে গণধর্ষণের অভিযোগে গত ৯ সেপ্টেম্বর সালাম ও জিয়ার বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দুপুরে সালামকে আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর পলাতক আসামি জিয়াকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ওই নারী জানান, তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে কাতারে থাকেন এবং মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তার স্বামী ঢাকায় গাড়ি চালান। বাড়িতে তিনি একা বসবাস করেন। গত ১ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে সালাম ও জিয়া তার বাড়িতে এসে তাকে ডাক দিয়ে পানি খেতে চায়। এ সময় তিনি ঘরের দরজা খুললে তারা জোরপূর্বক ভিতরে প্রবেশ করে মুখ চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর তারা বিষয়টি কাউকে না জানাতে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনার পর তিনি ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানাননি। পরবর্তীতে ৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালাম ও জিয়া আবারো তার বাড়িতে আসে। এসময় তিনি পার্শ্ববর্তী বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন এবং মোবাইলে তিনি তার পরিচিত লোকজনকে বাড়িতে আসতে বলেন। এরপর তারা তার বাড়িতে এলে সালাম ও জিয়া পালিয়ে যায়। এ নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরা কয়েকদিন ধরে মিমাংশা করার জন্য চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা না হওয়ায় তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর