,

সর্বশেষ :
খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে ‘মানবিক রাজবাড়ী’ রাজবাড়ীতে সরকারি নির্দেশনা না মানায় ৩ দোকানিকে জরিমানা খানখানাপুরকে করোনামুক্ত রাখতে নিরলস পরিশ্রম করছেন বশির ও ফরহাদ রাজবাড়ীতে অসহায় মানুষের মধ্যে খিচুরি বিতরণ পাংশায় সেই যুবকের শরীরে করোনা পাওয়া যায়নি রাজবাড়ীতে আরও কঠোর হচ্ছে প্রশাসন রাতের আধাঁরে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলো ‘মানবিক রাজবাড়ী’ রাতের আধাঁরে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন ‘ঢাকাস্থ খানখানাপুর সমিতি’র সদস্যরা ঢাকা থেকে পালানো করোনায় আক্রান্ত তরুণীকে পাওয়া গেল রাজবাড়ীতে বসন্তপুরে মাছরাঙা ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

‘সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন মানসিক সুস্থতাও’

News

সুস্থতা বিষয়টা আপেক্ষিক এবং একটি বিমূর্তধারণা। সাধারণত আমরা সুস্থতা বলতে শরীরে যদি কোন রোগ না থাকে সেই অবস্থাকে বুঝে থাকি। শরীরের সাথে মনের যে একটা সেতুবন্ধন আছে সেটা আমরা অনেকেই ভাবিনা। দেহ ও মন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেহ সুস্থ না থাকলে যেমন মন ভাল থাকেনা তেমনি মন ভালনা থাকলে দেহও সুস্থ থাকেনা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি আমাদের মনের সুস্থতার ব্যাপারে সচেতন? বা মানসিক সুস্থতা বলে যে একটি বিষয় আছে সেটা আমরা কজনে জানি বা জানলেও সে সম্পর্কে ভাবি। একজন সুস্থ মানুষ বলতে তাকেই বোঝায় যে শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই ভাল আছে। মানসিক স্বাস্থ্য হচ্ছে এমন একটা বিষয় যার মাধ্যমে আমরা আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম হই, সকল ধরণের প্রতিকুলতাকে জয় করে সামনে এগিয়ে যেতে সক্ষম হই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্বাস্থ্য হলো শরীর, মন এবং সমাজের ভাল দিকগুলির মিলবন্ধন। একজন মানসিকভাবে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তি কখনো অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে পারেনা। তার দ্বারা সমাজের কোন ক্ষতি হতে পারেনা। কিন্তু একজন ব্যক্তি যখন মানসিকভাবে সুস্থ না থাকে তখন সে কোন কাজই ভালভাবে করতে পারেনা। তার কোন কর্মকান্ড দ্বারা সমাজ উপকৃত হয়না।

সুতরাং, এ থেকে বোঝা যাচ্ছে  মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টা কতটা প্রয়োজনীয়। মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য একজন ব্যক্তির চারপাশের পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া প্রয়োজন, প্রয়োজন পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের সহযোগিতা। এছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ তথা মানসিক সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে কিছু মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরন করা হয়। সাইকোলজিক্যাল থেরাপির মধ্য দিয়ে আমাদের মনের নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ইতিবাচক চিন্তা-চেতনা ও মনোভাব গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। তাই আসুন আমরা সবাই মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হই এবং মানসিক যে কোন অসুস্থতায় সাইকোলজিক্যাল থেরাপির সাহায্য নিই।

লেখক: প্রভাষক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ. বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা  

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর