,

সর্বশেষ :
বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে করোনায় প্রাণ হারানো শিক্ষকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা এডঃ এম.এ খালেকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল রাজবাড়ী সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এডঃ এম এ খালেকের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী আজ রাজবাড়ীতে কাজ শেষ না হতেই ৩৭৬ কোটি টাকার বাঁধে ভাঙন ফেসবুক গ্রুপ ‘বসন্তপুর লাইভ’-এর পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীর বসন্তপুর ইউনিয়নে ভিজিএফ-এর চাল বিতরণ রাজবাড়ীর বসন্তপুর ও আলীপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ রাজবাড়ীর বসন্তপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক রাজবাড়ী জেলা বারের আইনজীবী সুদীপ্ত গুহের স্থগিত হওয়া ‌’সদস্যপদ পুনর্বহাল’ রাজবাড়ী সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক হলেন রিয়ান

‘সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন মানসিক সুস্থতাও’

News

সুস্থতা বিষয়টা আপেক্ষিক এবং একটি বিমূর্তধারণা। সাধারণত আমরা সুস্থতা বলতে শরীরে যদি কোন রোগ না থাকে সেই অবস্থাকে বুঝে থাকি। শরীরের সাথে মনের যে একটা সেতুবন্ধন আছে সেটা আমরা অনেকেই ভাবিনা। দেহ ও মন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেহ সুস্থ না থাকলে যেমন মন ভাল থাকেনা তেমনি মন ভালনা থাকলে দেহও সুস্থ থাকেনা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি আমাদের মনের সুস্থতার ব্যাপারে সচেতন? বা মানসিক সুস্থতা বলে যে একটি বিষয় আছে সেটা আমরা কজনে জানি বা জানলেও সে সম্পর্কে ভাবি। একজন সুস্থ মানুষ বলতে তাকেই বোঝায় যে শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই ভাল আছে। মানসিক স্বাস্থ্য হচ্ছে এমন একটা বিষয় যার মাধ্যমে আমরা আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম হই, সকল ধরণের প্রতিকুলতাকে জয় করে সামনে এগিয়ে যেতে সক্ষম হই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্বাস্থ্য হলো শরীর, মন এবং সমাজের ভাল দিকগুলির মিলবন্ধন। একজন মানসিকভাবে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তি কখনো অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে পারেনা। তার দ্বারা সমাজের কোন ক্ষতি হতে পারেনা। কিন্তু একজন ব্যক্তি যখন মানসিকভাবে সুস্থ না থাকে তখন সে কোন কাজই ভালভাবে করতে পারেনা। তার কোন কর্মকান্ড দ্বারা সমাজ উপকৃত হয়না।

সুতরাং, এ থেকে বোঝা যাচ্ছে  মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টা কতটা প্রয়োজনীয়। মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য একজন ব্যক্তির চারপাশের পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া প্রয়োজন, প্রয়োজন পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের সহযোগিতা। এছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ তথা মানসিক সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে কিছু মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরন করা হয়। সাইকোলজিক্যাল থেরাপির মধ্য দিয়ে আমাদের মনের নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ইতিবাচক চিন্তা-চেতনা ও মনোভাব গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। তাই আসুন আমরা সবাই মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হই এবং মানসিক যে কোন অসুস্থতায় সাইকোলজিক্যাল থেরাপির সাহায্য নিই।

লেখক: প্রভাষক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ. বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা  

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর