,

সর্বশেষ :
শহীদওহাবপুর ও খানখানাপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু ‘খানখানাপুর প্রবাসী কল্যাণ সংগঠন’-এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান সাবেক জেলা জজ শামসুল হক এর বড় সন্তান শামসুল আরেফিন করোনা পজেটিভ। ভাড়া বকেয়া : শিক্ষার্থীর মূল্যবান সার্টিফিকেট ভাগাড়ে ফেললেন বাড়িওয়ালা। বসন্তপুর ইউপির মেম্বার জানে আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রাজবাড়ীর বসন্তপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু দৌলতদিয়ায় যৌনকর্মী ও শিশুদের মধ্যে বিস্কুট বিতরণ রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার – Facebook Live রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার রাজবাড়ীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী দিলো পারলিন গ্রুপ

চার বছর পর ছেলেকে ফিরে পেলেন নিজাম, ধন্যবাদ দিলেন পুলিশকে

News

রাজবাড়ী নিউজ২৪.কমঃ চার বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান কোরআনের হাফেজ আব্দুল আউয়াল (৩২)। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি বাবা নিজাম উদ্দিন। এক পর্যায়ে হতাশ হয়ে ছেলেকে ফিরে পাবার আশা ছেড়ে দেন নিজাম। অবশেষে চার বছর পর রাজবাড়ীর খানখানাপুর তদন্তকেন্দ্রের পুলিশের সহযোগিতায় নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেলেন তিনি।

নিজাম উদ্দিনের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ গ্রামে।

নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমার ছেলে আব্দুল আউয়াল ৩০ পারা কোরআনের হাফেজ। চার বছর আগে সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। এরপর বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাইনি। শনিবার (২৩ নভেম্বর) খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এএসআই তাজুল ইসলাম আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায় আমার ছেলে পুলিশের হেফাজতে খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে রয়েছে। সোমবার (২৫ নভেম্বর) আমি খানখানাপুর এসে আমার ছেলেকে ফিরে পাই। আমার ছেলেকে আমার বুকে ফিরিয়ে দেবার জন্য খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল ইসলাম ও এএসআই তাজুল ইসলামসহ সকল পুলিশ সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাই।’

খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় তিনমাস আগে আব্দুল আউয়াল খানখানাপুর রেলগেট এলাকায় এসে একটি দোকানের বারান্দায় থাকা শুরু করেন। সেখানে আমাদের এএসআই তাজুল ইসলাম তাকে দেখতে পেয়ে বাড়ির ঠিকানা জিজ্ঞেস করেন। তখন তিনি তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় বলে জানাতে পারলেও গ্রামের নাম বা পিতার নাম বলতে পারেননি। এদিকে, এএসআই তাজুল ইসলামের বাড়িও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় হওয়ায় তিনি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নেন এবং আমাকে জানান। অবশেষে তিনমাস ধরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শনিবার (২৩ নভেম্বর) আব্দুল আউয়ালের পরিবারের সন্ধান পান এএসআই তাজুল ইসলাম। পরে আউয়ালের পরিবারের সদস্যদের আমাদের এখানে আসতে বলা হলে সোমবার (২৫ নভেম্বর) তার বাবা ও ছোটভাই পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে আসেন। সেসময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাবা-ছেলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তাদেরকে কিশোরগঞ্জের বাসে উঠিয়ে দেওয়া হয়।’

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর