,

সর্বশেষ :
ঢাকা থেকে পালানো করোনায় আক্রান্ত তরুণীকে পাওয়া গেল রাজবাড়ীতে বসন্তপুরে মাছরাঙা ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজবাড়ীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সাংবাদিক কাজী তানভীর রাজবাড়ীতে বিএনপির উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মধ্যে চাল বিতরণ পাংশায় করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু, গ্রাম লকডাউন বালিয়াকান্দির ৩০০ দরিদ্র পরিবারের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন এমপি পুত্র মিতুল টিভি চালিয়ে লোক জড়ো করায় ৪ দোকানিকে জরিমানা রাজবাড়ীতে হতাশায় দিন কাটছে দুগ্ধ ও গরু মোটাতাজাকরণ খামারিদের রাজবাড়ীতে ট্রাকচাপায় অটোরিকশা যাত্রী নিহত

রাজবাড়ীতে পথ হারানো দুই শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিলো পুলিশ

News

রাজবাড়ী : রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড় থেকে পথ হারানো দুই শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে খানখানাপুর তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিশু দু’টিকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

শিশু দু’টি হলো- ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার মাধবপুর গ্রামের মো. বাকী বিল্লাহ’র ছেলে মো. মামুন মাতুব্বর (১০) ও কিশোরগঞ্জ জেলার জেলার কটিয়াদী উপজেলার পূর্ব বনেরগাঁও গ্রামের মো. সাইফুলের ছেলে মো. বিল্লাল (১০)।

খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু মামুন ও বিল্লালের পৈত্রিক বাড়ি ফরিদপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলায় হলেও তাদের পরিবার সাভারের জামগড়া এলাকায় বসবাস করেন। সেই সুবাদে উভয় পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া শিশু দু’টিও জামগড়া এলাকার একটি মাদরাসায় একইসঙ্গে লেখাপড়া করে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি)সকাল ৭টার দিকে তারা মাদরাসায় যাবার কথা বলে একটি বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে শিশু মামুনের পৈত্রিক বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ফেরিতে পদ্মা পার হয়ে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তারা গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় এলে পথ হারিয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। এসময় স্থানীয়রা আমাকে খবর দিলে আমি পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম স্যার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাহউদ্দিন স্যারের দিকনির্দেশনায় শিশু দু’টিকে উদ্ধার করে পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে আসি। এখানে তাদের খাওয়া-দাওয়া করিয়ে ঘুমানোর ব্যবস্থা করা হয়। পরে সকালে তাদের কাছ থেকে তাদের পরিবারের ঠিকানা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের তদন্তকেন্দ্রে আসতে বলা হয়। দুপুরে পরিবারের লোকজন এলে সাইকেলসহ শিশু দু’টিকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।’

ইন্সপেক্টর শহীদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘শিশু দু’টি সময়মতো উদ্ধার না হলে হয়তো মহাসড়কে অনাকাঙ্খিত কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারতো। স্থানীয়রা সচেতন বলেই তারা শিশু দু’টিকে কান্না করতে দেখে আমাকে খবর দিয়েছেন। এজন্য আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।’

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর