,

সর্বশেষ :
খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে ‘মানবিক রাজবাড়ী’ রাজবাড়ীতে সরকারি নির্দেশনা না মানায় ৩ দোকানিকে জরিমানা খানখানাপুরকে করোনামুক্ত রাখতে নিরলস পরিশ্রম করছেন বশির ও ফরহাদ রাজবাড়ীতে অসহায় মানুষের মধ্যে খিচুরি বিতরণ পাংশায় সেই যুবকের শরীরে করোনা পাওয়া যায়নি রাজবাড়ীতে আরও কঠোর হচ্ছে প্রশাসন রাতের আধাঁরে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলো ‘মানবিক রাজবাড়ী’ রাতের আধাঁরে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন ‘ঢাকাস্থ খানখানাপুর সমিতি’র সদস্যরা ঢাকা থেকে পালানো করোনায় আক্রান্ত তরুণীকে পাওয়া গেল রাজবাড়ীতে বসন্তপুরে মাছরাঙা ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

নিজেকে ‘স্যার’ না ডাকতে জনসাধারণকে অনুরোধ জানালেন ওসি আশিক

News

রাজবাড়ী : সম্প্রতি প্রথমবারের মতো দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর এক যৌনকর্মীর জানাজা নামাজ-দাফন ও কুলখানি করে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান, পিপিএম।

এছাড়াও, একের পর এক ব্যতিক্রমী কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। এরমধ্যে রয়েছে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর সাবেক যৌনকর্মীদের নামাজ শিক্ষা কার্যক্রম চালু ও নিজেকে স্যার না ডাকতে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোয়ালন্দঘাট থানার ফেসবুক আইডিতে নিজের অফিস কক্ষের দরজার সামনে টাঙানো একটি ব্যানারের ছবি পোস্ট করেন ওসি আশিকুর রহমান। যাতে লেখা রয়েছে, ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার। ইহা একজন গণ কর্মচারীর অফিস। যে কোন প্রয়োজনে এই অফিসে ঢুকতে অনুমতির প্রয়োজন নাই। সরাসরি রুমে ঢুকুন। ওসি’কে স্যার বলার দরকার নাই। অনুরোধে: ওসি, গোয়ালন্দঘাট থানা, রাজবাড়ী’।

ছবিটির নিচে অনেক মানুষ ওসি আশিকুর রহমানের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে মন্তব্য করেছেন। ‘রাজবাড়ী নিউজ২৪.কম’-এর পাঠকদের জন্য কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হলো-

** শামীম শেখ নামে একজন সংবাদকর্মী মন্তব্য লিখেছেন- খুব ভালো উদ্যোগ। সাধুবাদ জানাই।

** মো. হোসাইন নামে একজন লিখেছেন- প্রতিটি থানায় এমন সাইনবোর্ড দেওয়া উচিৎ।

** মো. সাইফুল ইসলাম লিখেছেন- সত্যিই আপনার মতো ওসি পাওয়া আমাদের গোয়ালন্দবাসীর জন্য গর্বের।

** সালমান বিন ইয়াহিয়া নামে একজন লিখেছেন- আপনার মতো অফিসার প্রতি থানায় দরকার।

** রফিক বিশ্বাস লিখেছেন- আপনার মতো একজন পুলিশ অফিসার প্রতি থানায় কর্মরত থাকলে দেশের আইনশৃঙ্খলা আরো বেশি উন্নতি হতো।

** গোলাম মোস্তফা নামে একজন লিখেছেন- যেই মায়ের সন্তান আপনি সেই মাকে স্যালুট।

** শেখ আয়নাল আহসান লিখেছেন- গোয়ালন্দের প্রেক্ষাপটে আপনার মত পুলিশ অফিসারের অভাব ছিলো। এখন আমরা আর সেই অভাববোধ করি না। এভাবে জনতার পাশে থাকবেন আশা করি।

** সুলতান মাহমুদ সুজন লিখেছেন- অনেকে অনেক কথাই বলবে, জনগণ আপনার সাথে রয়েছে।

** মোশারফ আহমেদ লিখেছেন- শুভকামনা থাকলো ওসি সাহেবের জন্য। গোয়ালন্দবাসীর জন্য এই প্রথম কোন ওসি এমন আবেদন রেখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। আশাকরি দলমত নির্বিশেষে তিনি ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হবেন।

** ফিরোজ আহমেদ স্বপন নামে একজন লিখেছেন- গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি সাহেব কে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না, বরং তার যে কোন প্রয়োজনে পাশে দাড়াবে সবাই এমনটা আশাকরি। অন্তত রাজবাড়ীর সবকটি থানায় এমন সেবা পাবে জনগণ, এটা প্রত্যাশা করি।

** আরেফিন ইসলাম সাগর লিখেছেন- ভাবতেই পারছিনা এসব কি হছে ? স্বপ্ন না সত্যি ?

** আব্দুল জব্বার লিখেছেন- এই বিষয়টা বা উদ্যোগটা সারা বাংলাদেশের ওসিদের জন্য মডেল হতে পারে। অসাধারণ ও অভাবনীয়।

** মাহবুবা সীমা লিখেছেন- এ যুগে এমন পুলিশ কয়জন হয়।  ধন্যবাদ ভাই আল্লাহ আপনাকে যেন ভালো রাখেন ।

নিজেকে স্যার না ডাকতে অনুরোধের প্রসঙ্গে ওসি আশিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণ হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের মালিক আর আমি হচ্ছি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী। তাই মালিক কর্মচারীকে স্যার বলে ডাকবেন; এটা আমার কাছে বেমানান মনে হয়। জনগণ আমাকে অফিসার, ভাই, বাবা, চাচা, বেটা যে কোন নামে ডাকতে পারেন।’

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর