,

সর্বশেষ :
খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে ‘মানবিক রাজবাড়ী’ রাজবাড়ীতে সরকারি নির্দেশনা না মানায় ৩ দোকানিকে জরিমানা খানখানাপুরকে করোনামুক্ত রাখতে নিরলস পরিশ্রম করছেন বশির ও ফরহাদ রাজবাড়ীতে অসহায় মানুষের মধ্যে খিচুরি বিতরণ পাংশায় সেই যুবকের শরীরে করোনা পাওয়া যায়নি রাজবাড়ীতে আরও কঠোর হচ্ছে প্রশাসন রাতের আধাঁরে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলো ‘মানবিক রাজবাড়ী’ রাতের আধাঁরে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন ‘ঢাকাস্থ খানখানাপুর সমিতি’র সদস্যরা ঢাকা থেকে পালানো করোনায় আক্রান্ত তরুণীকে পাওয়া গেল রাজবাড়ীতে বসন্তপুরে মাছরাঙা ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

রাজবাড়ীতে ইতালি ফেরত বাবা-ছেলে পর্যবেক্ষণে

News

রাজবাড়ী : করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ইতালি ফেরত বাবা (৪৫) ও ছেলেকে (২২) পর্যবেক্ষণে রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একেএম হেদায়েতুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গত ২ মার্চ উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের বাসিন্দা ইতালিপ্রবাসী বাবা-ছেলে বাংলাদেশে আসেন। দেশের আসার সময় ইতালি, দুবাই ও বাংলাদেশে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। ওই সময় তাদের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। তবে তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে আমরা জানতে পেরেছি করোনাভাইরাস ১৪ দিনে প্রকাশ পায়। এজন্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের বিদেশফেরত ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়।

ইউএনও হেদায়েতুল ইসলাম আরও বলেন, তাদের তথ্য অনুযায়ী সোমবার (০৯ মার্চ) রাত থেকে নিজ বাড়িতেই ইতালি ফেরত বাবা-ছেলেকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করা হয়েছে। যেহেতু তারা দেশে এসেছেন এক সপ্তাহ হয়েছে। তাই আরও এক সপ্তাহ তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এ সময় নিয়মিত টহল পুলিশ থাকবে তাদের পাহারায়। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ তাদের মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা যায়নি।

হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, ইতালি ফেরত বাবা-ছেলে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবে। প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি দেখছে। ১৪ দিন পর তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. নুরুল ইসলাম বলেন, বালিয়াকান্দিতে ইতালি ফেরত দুজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নেই। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ। সতর্কতার জন্য তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়নি। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এটি ভাইরাসজনিত রোগ। এর চিকিৎসাও খুব জটিল নয়। অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে যায়।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর