,

সর্বশেষ :
সাবেক সচিব ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান বজলুল করিম ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত রাতের আঁধারে দরিদ্রদের বাড়ি বাড়ি ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দিলো ‘মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ মন্দিরের সামনে গাঁজা খেতে নিষেধ করায় প্রতিমা ভাংচুর বড় ধরণের করোনা ঝুঁকিতে রাজবাড়ী বালিয়াকান্দির নবাবপুর ইউনিয়নের ১১০০ হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ বসন্তপুর ইউনিয়নের ৮০০ হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ হতদরিদ্রদের বাড়ি বাড়ি ঈদের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন প্রবাসীরা করোনা উপসর্গ নিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু, দুই বাড়ি লকডাউন করলেন এসিল্যান্ড রাজবাড়ীর করোনা যোদ্ধা চিকিৎসকদের N95 মাস্ক দিলেন সাবেক জেলা জজ ‘আসমা আসাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ

এবার কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে দরিদ্রদের কাছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক পৌঁছে দিচ্ছেন রাজবাড়ীর এসপি

News

রাজবাড়ী : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নিজস্ব উদ্যোগে ৫০ হাজার বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও বিপুল পরিমাণ মাস্ক তৈরী করে রাজবাড়ী জেলার পাঁচটি উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করেছে জেলা পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতায় এবার কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জেলার ৪২টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভায় হতদরিদ্রদের হাতে হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক পৌঁছে দিচ্ছেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, পিপিএম।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে সদর উপজেলার খানখানাপুর এবং শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে ৪০০বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং ১০০পিস মাস্ক তুলে দেন খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল ইসলাম।

এ সময় খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাফর ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মানবিক পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান-পিপিএম স্যারের নির্দেশে খানখানাপুর ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি মো. আমির আলী মোল্লা এবং শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি মো. শাহীন খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. শাহনেওয়াজ স্বপনের হাতে ৪০০বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং ১০০পিস মাস্ক তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা হতদরিদ্র মানুষের হাতে হাতে সেগুলো পৌঁছে দিবেন।’

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান-পিপিএম বলেন, ‘বর্তমানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাস্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় একটি জিনিসে পরিণত হয়েছে। অথচ মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী বাজারে সেগুলো পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও পাওয়া গেলেও অনেকেরই তা আবার ক্রয় করার সামর্থ্য নেই। তাই আমি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও বিপুল পরিমাণ মাস্ক তৈরী করে জেলার পাঁচটি উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করেছি। পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক ও সেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্কগুলো বিতরণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জেলার ৪২টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভায় ১০ হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ১২ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে। স্ব স্ব ইউনিয়ন ও পৌরসভার কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যরা হতদরিদ্র মানুষের হাতে হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্কগুলো পৌঁছে দিবেন।’

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর