,

সর্বশেষ :
সাবেক সচিব ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান বজলুল করিম ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত রাতের আঁধারে দরিদ্রদের বাড়ি বাড়ি ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দিলো ‘মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ মন্দিরের সামনে গাঁজা খেতে নিষেধ করায় প্রতিমা ভাংচুর বড় ধরণের করোনা ঝুঁকিতে রাজবাড়ী বালিয়াকান্দির নবাবপুর ইউনিয়নের ১১০০ হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ বসন্তপুর ইউনিয়নের ৮০০ হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ হতদরিদ্রদের বাড়ি বাড়ি ঈদের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন প্রবাসীরা করোনা উপসর্গ নিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু, দুই বাড়ি লকডাউন করলেন এসিল্যান্ড রাজবাড়ীর করোনা যোদ্ধা চিকিৎসকদের N95 মাস্ক দিলেন সাবেক জেলা জজ ‘আসমা আসাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ

খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে আমেনা বেগমদের, খাদ্য সহায়তা কামনা

News

রাজবাড়ী : রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের নিমতলা রেলগেট এলাকার ষাটোর্দ্ধ বয়সী বিধবা নারী আমেনা বেগম। তার দু’টি ছেলে সন্তান থাকলেও একজন পঙ্গু অবস্থায় শয্যাশয়ী রয়েছেন ও একজন দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাই নিজের পেটের ভাত নিজেকেই যোগাড় করে খেতে হয় আমেনা বেগমকে। কখনো জঙ্গল থেকে খড়ি সংগ্রহের পর তা বিক্রি করে, কখনোবা মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা আয় হয় তা দিয়েই কোনরকম দু’বেলা খেয়ে দিনযাপন করেন আমেনা। কিন্তু, করোনাভাইরাসের প্রভাবে গত ১৫দিন ধরে কোন কাজকর্মই করতে পারছেন না তিনি। যে কারণে বর্তমানে কোনবেলা খেয়ে কিংবা কোনবেলা না খেয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাকে।

আমেনা বেগম বলেন, ‘আমার দুইটা ছেলের একজন ছোটবেলায় গাছ থেকে পড়ে পঙ্গু হয়ে যায়। সে কোন কাজকর্ম করতে পারে না। বিছানায় শুয়ে থাকে সবসময়। আরেকটা ছেলে দিনমজুরের কাজ করে। আমি কখনো জঙ্গল থেকে খড়ি খুটে বেচতাম, কখনো মানুষের বাড়িতে কাজ করতাম। এগুলো করে যে টাকা পাইতাম তাই দিয়ে কোনরকম দিনযাপন করতাম। কিন্তু করোনার কারণে ১৫ দিন ধরে কোন কাজ করতে পারতেছি না। কেউ কারো বাড়িতে কাজে নেয় না। কোনবেলা খায়া, কোনবেলা না খায়া থাকি। এলাকার মেম্বার-চেয়ারম্যান কেউ আমার কোন খোঁজখবর নেয় না। এরচেয়ে মরে যাওয়া ভালো।’

আমেনা বেগমের মতো একই অবস্থা নিমতলা রেলগেট এলাকার প্রায় ১৫ জন ষাটোর্দ্ধ বিধবা নারীর। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে খেয়ে না খেয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এসকল নারীরা।

কথা হয় শুকুরজান, আছিয়া ও মোমেনা বেগমসহ কয়েকজনের সঙ্গে। তারা বলেন, ‘আগে যাও বা মানুষের বাড়িতে কাজকর্ম করে দুইবেলা খাইতে পারতাম। এখন করোনাভাইরাসের কারণে কাজকর্ম নাই। খায়া না খায়া দিন পার করতেছি। এলাকার মেম্বার-চেয়ারম্যান কেউ আমাদের কোন খোঁজখবর নেয় না। কোন সাহায্য সহযোগীতা পাই না। খুব কষ্টে আছি। আমাদের দুই বেলা খাবারের ব্যাবস্থা যদি কেউ করতো তার জন্যে আমরা আজীবন দোয়া করতাম।’

দেশের এই ক্রান্তিকালে কোন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বা কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি আমেনা বেগমদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দু’বেলা খাবারের ব্যাবস্থা করবেন; এমনটিই ‘রাজবাড়ী  নিউজ২৪.কম’-এর প্রত্যাশা। আমেনা বেগমদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ‘রাজবাড়ী  নিউজ২৪.কম’-এর সঙ্গে। মোবাইল নম্বরঃ- ০১৭২১-০৮৯৮২৫ (আশিকুর রহমান, বার্তা সম্পাদক, রাজবাড়ী নিউজ২৪.কম)।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর