,

সর্বশেষ :
শহীদওহাবপুর ও খানখানাপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু ‘খানখানাপুর প্রবাসী কল্যাণ সংগঠন’-এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান সাবেক জেলা জজ শামসুল হক এর বড় সন্তান শামসুল আরেফিন করোনা পজেটিভ। ভাড়া বকেয়া : শিক্ষার্থীর মূল্যবান সার্টিফিকেট ভাগাড়ে ফেললেন বাড়িওয়ালা। বসন্তপুর ইউপির মেম্বার জানে আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রাজবাড়ীর বসন্তপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু দৌলতদিয়ায় যৌনকর্মী ও শিশুদের মধ্যে বিস্কুট বিতরণ রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার – Facebook Live রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার রাজবাড়ীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী দিলো পারলিন গ্রুপ

এক টাকায় একবেলার খাবার দিচ্ছে ‘মানবিক রাজবাড়ী’

News

রাজবাড়ী : একের পর এক অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে আসছে সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবিক রাজবাড়ী। এরই মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড করে সংগঠনটি বেশ সারা ফেলেছে রাজবাড়ীতে। মানবিক রাজবাড়ী তাদের সেবামূলক কাজের মধ্যে এবার নতুন একটি ধারা যোগ করেছে। এক টাকায় খাবার বিক্রি করার জন্য ভ্রাম্যমাণ দোকান চালু করেছে সংগঠনটি।

মানবিক রাজবাড়ীর ভ্রাম্যমাণ এক টাকার খাবারের দোকান শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে খাবার দিচ্ছে এক টাকায়।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস সংকটের শুরু থেকে গত প্রায় দেড় মাস ধরে রাজবাড়ীতে আটকে পড়া উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শ্রমিকসহ দুস্থ-অসহায় , দিনমজুর, ছিন্নমূল পথ শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করে চলেছে সাংবাদিক রবিউল ইসলাম খন্দকার মজনু’র সংগঠন ‘মানবিক রাজবাড়ী’। প্রথম দিকে বিণামূল্যে এই খাবার বিতরণ করা হলেও এখন জনপ্রতি প্রতিকী এক টাকার বিনিময়ে এই খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে।

সাংবাদিক রবিউল খন্দকার মজনু বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে রাজবাড়ী জেলাকে লকডাউল ঘোষণা করার পর বিপাকে পড়ে এখানে কাজ করতে আসা উত্তরবঙ্গের শ্রমিকরা। গণপরিবহন বাস-ট্রেন বন্ধ থাকায় বাড়ি ফিরে যেতে না পারার পাশাপাশি কর্মহীন হয়ে তারা অত্যন্ত করুণ অবস্থার মধ্যে পড়ে। এ অবস্থায় আমার সংগঠন ‘মানবিক রাজবাড়ী’র সদস্যদের নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াই। প্রথম দিকে আমরা নিজেদের অর্থায়নে তাদের খাবার ব্যবস্থা করলেও বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা এ কার্যক্রমে অর্থায়ন করছেন, তিনি তার নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক বলে তার নাম বলতে পারছি না।

তিনি বলেন, প্রথমে আমরা বিণামূল্যেই খাবার দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু যাদেরকে এই খাদ্য সহায়তা দিচ্ছি তারা যেন ভিক্ষা মনে করে আত্মগ্লানিতে না ভোগে সে জন্য পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে প্রতিকী এক টাকা করে নেয়া হচ্ছে। বর্তমানে রমজান মাস হওয়ায় আমরা প্রতিদিন প্রায় ১০০ জনের মধ্যে ইফতারসহ রাতের খাবার এবং সেহরির খাবার বিতরণ করছি। গত ৯মে থেকে চালু করা হয়েছে এক টাকার খাবারের ভ্রাম্যমাণ দোকান। অটোরিকশা যোগে শহরের বিভিন্ন স্থানে থাকা অসহায় মানুষ যাতে ইফতার ও খাবার খেতে পারে সে কারনেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেউ এ কার্যক্রম আমাদের পাশে এসে দাঁড়াতে চাইলে আমরা তাকে স্বাগত জানাবো।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর