,

সর্বশেষ :
রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান সাবেক জেলা জজ শামসুল হক এর বড় সন্তান শামসুল আরেফিন করোনা পজেটিভ। ভাড়া বকেয়া : শিক্ষার্থীর মূল্যবান সার্টিফিকেট ভাগাড়ে ফেললেন বাড়িওয়ালা। বসন্তপুর ইউপির মেম্বার জানে আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রাজবাড়ীর বসন্তপুর ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু দৌলতদিয়ায় যৌনকর্মী ও শিশুদের মধ্যে বিস্কুট বিতরণ রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার – Facebook Live রাজবাড়ীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার রাজবাড়ীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী দিলো পারলিন গ্রুপ সেই মেধাবী শিক্ষার্থী শিমলার পাশে ‘রাজবাড়ী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’ বালিয়াকান্দিতে অস্ত্র-গুলিসহ ডাকাত দলের সদস্য আটক

রাজবাড়ীতে ঘর দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

News

রাজবাড়ী : রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের নিমতলা গ্রামের মৃত তোরাপ আলী শেখের মেয়ে শিমু আক্তারী। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর থাকতেন ষাটোর্দ্ধ বৃদ্ধা মা আয়েশা বেগমের কাছে। হাঁস, মুরগী ও ছাগল পালন করে মায়ের সঙ্গে ছোট্ট একটি ভাঙাচোরা টিনের ছাপড়া ঘরে সংসার চলতো তার।

কিন্তু, শিমু আক্তারীকে ভাঙাচোরা ছাপড়া ঘর থেকে পাকা সরকারি ঘরে থাকার স্বপ্ন দেখাতেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বিশ্বাস। তবে এ ঘর পেতে শিমুকে খরচ বাবদ দিতে হবে ১৫হাজার টাকা। পাকা ঘরের আশায় শিমু আক্তারী সুদে কারবারির কাছ থেকে ১১হাজার টাকা এনে দেন ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বিশ্বাসকে। টাকা দেওয়ার দেড় বছরেও সরকারি ঘর পাননি শিমু। অথচ এই দেড় বছরে তাকে আরও ১৫হাজার টাকা  লাভ দিতে হয়েছে সুদে কারবারিক।

শুধু শিমু আক্তারীর কাছ থেকেই নয়; এভাবে ১০ থেকে ১২জন হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গৃহহীনদের গৃহনির্মাণ প্রকল্পের অধীনে ঘর দেওয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ থেকে ১৫হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে ও পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য গত ১৪জুন রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী শিমু আক্তারী।

সরেজমিনে সংবাদ সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকদের কাছেও জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন শিমু আক্তারী, ছকিনা বেগম, ছেকেন শেখ, রহিমন বেগম ও কুলসুম বেগমসহ বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী।  

গরীব অসহায় মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন, ‘ইদানিং আমি কোন টাকা পয়সা নেই নাই। কোন কিছু করিও নাই। দুই বছর আগে আমরা সরকারি ঘরের জন্য একটা ই-করছিলাম চেয়ারম্যান সাবসহ। সেখানে কিছু টাকা পয়সা লাগবে। তখন কয়েকজনের কাছ থেকে ১০হাজার টাকা করে নিছিলাম। যখন ঘর হয় নাই, তখন তাদের টাকা পয়সা দিয়ে দিছি।’

এ বিষয়ে রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাঈদুজ্জামান খান বলেন, ‘ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একজন একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর একজন অফিসারকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর