,

এ বছর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গার -আলমডাঙ্গায় ৪২.৬

News

  রাজবাড়ী নিউজ  ডেস্ক : :       এ বছর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়। গতকাল এ শহরের পারদের কাঁটা ছুঁয়েছে ৪২.৬ ডিগ্রিতে। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল যশোরে তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন ঢাকায় উঠেছিল ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৬০ সালে ঢাকায় ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ওঠে। ঢাকায় ৫৪ বছরের পর এত বেশি তাপমাত্রা ছিল ২৪ এপ্রিল। গতকাল অবশ্য ঢাকায় তাপমাত্রা উঠে ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে ১৯৯৫ সালে রাজশাহীতে ৪৩ ডিগ্রি এবং ১৯৭২ সালে একই শহরের ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। বাংলাদেশে অবশ্য কখনোই ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা ওঠার রেকর্ড নেই। এ মুহূর্তে রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও চাঁদপুরে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছে।

তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়েছে। ফলে ঘাম শুকাচ্ছে না এবং প্রচণ্ড অস্বস্তি অনুভূত হচ্ছে। প্রচণ্ড বেগে বাতাস অথবা বৃষ্টি হলে এ অবস্থার পরিবর্তন হবে। তবে আগামী দুই অথবা তিন দিনের মধ্যে এ সম্ভাবনা নেই।

মে মাসে বাংলাদেশে প্রায়ই এ ধরনের তাপমাত্রা ওঠে। তবে চলতি বছর অন্যান্য বছরের চেয়ে একটু বেশি খরাপ্রবণ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলতি বছর বর্ষাকালে (জুন-সেপ্টেম্বর) স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলনিনোর প্রভাবে চলতি গ্রীষ্ম মওসুমে তাপমাত্রা বাড়বে এবং বৃষ্টিপাত কমে যেতে পারে। নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় পূর্ব-মধ্য অঞ্চলের সমুদ্র উপরিতলের তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেলে তাকে এলনিনো অবস্থা হিসেবে ধরা হয়। এলনিনো অবস্থায় এটা দুই থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে এবং এ অবস্থা অব্যাহত থাকে ৭ থেকে ৯ মাস।

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় পশ্চিমা লঘুচাপ অবস্থান করছে যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এ লঘুচাপ থেকেই হয়তো নিম্নচাপ  এবং শেষে একটি ঝড় হতে পারে। ঝড় স্থলভাগের দিকে এলে হয়তো কিছু বৃষ্টিপাত হতে পারে।

রাজবাড়ী নিউজ ২৪ .কম  
 ২১/০৫/২০১৪/ স্বপ্ন

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর