এসএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্রের দাবিতে গোয়ালন্দে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৫:২৯ পূর্বাহ্ণ ,২৬ জুন, ২০১৪ | আপডেট: ৫:২৯ পূর্বাহ্ণ ,২৬ জুন, ২০১৪
পিকচার

রাজবাড়ী ডেস্ক : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে এসএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্রের দাবিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার দুপুরে গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাই স্কুলের ভোকেশনাল শাখার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করে।
জানা যায়, গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাই স্কুলের ভোকেশনাল শাখা থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় প্রায় ১৫০ ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়। এসএসসি পাসের পর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য তাদের নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্র নিতে বিভিন্ন সময়ে অভিভাবক সহকারে তারা স্কুলে আসেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে স্কুল অফিস থেকে কোন শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্র দেওয়া হয় না। এমন উদ্ভুত পরিস্থিতিতে গতকাল বুধবার দুপুরে ওই স্কুলের এসএসসি (ভোকেশনাল) পাস করা ১৫০ বিক্ষুব্ধ ছাত্র-ছাত্রী একজোট হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিল শেষে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে এক ঘন্টা মানববন্ধন করে। মানববন্ধন শেষে তারা এসএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্রের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।
এ বিষয়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী মজনু শেখ, ঈশিতা আক্তার, ইমরান সরদার জানান, গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফকির আব্দুল কাদের। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় এফ কে টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ। এবার এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকে শিক্ষক ফকির আব্দুল কাদের তার নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের তিনি নানাভাবে চাপ দিয়ে আসছেন। ফলে আইডিয়াল হাইস্কুলের ভোকেশনাল শাখা থেকে এবার এসএসসি পাস করা ১৫০ শিক্ষার্থী অন্য কলেজে ভর্তির জন্য নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্র না পেয়ে বিপাকে পড়ে।
এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ ঘোষ বলেন, বিক্ষুব্ধ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে স্থানীয় আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্র প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একজন প্রধান শিক্ষক একই সঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক থাকতে পারেন কি না জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফকির আব্দুল কাদের বলেন, সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নম্বরপত্র ও প্রশংসাপত্র প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, একই সঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠানের প্রধান হলেও আমি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছি।

 


এই নিউজটি 1132 বার পড়া হয়েছে
[fbcomments"]